বিডিআর হত্যাকাণ্ড দেখে ফেলায় আমার স্বামীকে হত্যা করেন জিয়াউল
বিডিআর হত্যাকাণ্ড দেখে ফেলায় আমার স্বামীকে হত্যা করেন জিয়াউল
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
বিডিআর হত্যাকাণ্ড দেখে ফেলায় মো. নজরুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্ত্রী মুন্নী আক্তার।
বুধবার (৮ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তিনি এ দাবি করেন।
Manual2 Ad Code
আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিন নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মুন্নী আক্তার।
সাক্ষ্যে তিনি জানান, পিলখানার বিডিআর হাসপাতালে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন তার স্বামী মো. নজরুল ইসলাম। ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের সময় ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ড নিজ চোখে দেখেছিলেন তিনি। প্রাণভয়ে সেদিন পিলখানার দেয়াল টপকে পালিয়ে যান তার স্বামী। পরে কেরানীগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেন।
Manual1 Ad Code
তিনি বলেন, ঘটনার পর স্বামীর সঙ্গে ফোনে আমার যোগাযোগ হয়। তখন আমরা পিলখানার ১ নম্বর গেটের সামনে একটি বাসায় থাকতাম। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় পোস্তগোলায় আমি আমার কাকির বাসায় চলে যাই। সেখান থেকে মেয়েকে নিয়ে কেরানীগঞ্জে স্বামীর কাছে যাই। কিছুদিন থাকার পর চলে যাই ঝালকাঠি বাবার বাড়িতে।
Manual3 Ad Code
অভিযোগ করে মুন্নী বলেন, আমার স্বামীকে গুমের পর হত্যা করেছে র্যাবের গোয়েন্দা প্রধান জিয়াউল আহসান। ২০১০ সালের ১৫ মার্চ তিনি গুম হয়েছিলেন। এ ঘটনায় অপহরণের মামলাও করে তার পরিবার।
কী কারণে স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। জবাবে সাক্ষী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিজ চোখে দেখার কারণে আমার স্বামীকে গুম করে হত্যা করা হয়েছে।
Manual5 Ad Code
জবানবন্দি শেষে জেরা শুরু হলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মুলতবি করেন ট্রাইব্যুনাল।