প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৩০শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

মোদী সরকার কি এক দফার আতঙ্কে?

editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ণ
মোদী সরকার কি এক দফার আতঙ্কে?

Manual2 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

প্রজন্ম ডেস্ক:

ককরোচ জনতা পার্টির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভারতে চলছে নজিরবিহীন ধরপাকড়। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের আটক করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে দিল্লির নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ইন্টারনেট ও যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনগুলোও। কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজধানী দিল্লিতে। বিক্ষোভ কর্মসূচি বানচাল করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

 

১০ অক্টোবর (শনিবার) দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে দিল্লি পুলিশ তাদের কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। এই বিক্ষোভে ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কর্মসূচির আগেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়।

মূলত মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। তাদের অভিযোগ, মোদী সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছেন তিনি। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের নামে ভারতের কোটি কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর সরাসরি সুবিধা পাচ্ছে মোদীর দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ

বিরোধীদের অভিযোগ, যেসব জনগোষ্ঠী মোদীর কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না কিংবা বিজেপিকে ভোট দেয় না, তাদেরই বেশি লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়ার বিষয়টি এ বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসলমান রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের দাবি, এসব মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা গেলে নির্বাচনের ফল ভিন্ন হতে পারতো।

Manual5 Ad Code

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এসআইআর কর্মসূচি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেসসহ প্রধান বিরোধী দলগুলো।

আন্দোলন দমনে কঠোর অবস্থান

এবার ককরোচ জনতা পার্টিও ভোট চুরির অভিযোগ তুলে বড় আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে এই কর্মসূচি ঠেকাতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বিভিন্ন রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের দিল্লিতে আনা হয়েছে। হাজার হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে রাজধানীতে।

শুধু দিল্লিতেই নয়, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গত কয়েক দিন ধরে ভোট চুরির অভিযোগে কর্মসূচি পালন করছে ককরোচ জনতা পার্টি, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট। এই জোটে রয়েছে মমতা ব্যানার্জী, অখিলেশ যাদব ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল।

রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিক্ষোভ, নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবি

সম্প্রতি দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে একাধিকবার আটক হন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তাদের অভিযোগ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিজেপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন। তাই তাকে পদত্যাগ করতে হবে।

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে দেশটির শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের দাবির মুখে একপর্যায়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। ফলে মোদী সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক বিক্ষোভ ও পদত্যাগের দাবি উঠছে। এতে সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে।

 

ভোট চুরির অভিযোগে মোদী সরকারের সামনে নতুন চাপ?

এবারের আন্দোলনকে বেশি সংবেদনশীল মনে করা হচ্ছে। কারণ, শুধু বিধানসভা নির্বাচন নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিরোধী শিবির। এ ক্ষেত্রে সরাসরি মোদী সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে।

মনে করা হচ্ছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করলে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগ আরও জোরালো হতে পারে। এতে ভারতের পুরো নির্বাচনব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন বাড়বে। এমনকি অবৈধভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার অভিযোগও সামনে আসতে পারে। এরপর আন্দোলন সরকারবিরোধী বৃহত্তর কর্মসূচিতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্ব।

এমন পরিস্থিতিতেই আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড় চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দিল্লিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা এবং বিভিন্ন পরিবহনব্যবস্থায় বিধিনিষেধ আরোপের কারণে রাজধানীর স্বাভাবিক চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

দিল্লিতে মমতা ব্যানার্জীসহ বিরোধী নেতাদের আটক

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) একাধিক নেতাকে দিল্লিতে তার বাসভবনের বাইরে থেকে আটক করেছে পুলিশ।

এদিকে, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার পথে অন্তত ২০০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এলাকাটিতে প্রায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এরপর বিক্ষোভকারীরা দিল্লি হাটে জমায়েত হওয়ার জন্য লোকজনকে আহ্বান জানান।

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) নেতা নেহা বোরা, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ দিল্লি হাটের দিকে যাওয়ার পথে আটক হন।

শনিবার সকালে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বিমান থেকেই আটক করা হয় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে। যন্তর মন্তরে তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তবে পুলিশ তাঁদের কোথায় নিয়ে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি। পরে দলটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

ইউটিউবে প্রায় তিন কোটি ৩০ লাখ অনুসারী থাকা ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এ তার বাসভবন থেকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার।

এ ছাড়া দিল্লিতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) বা সিপিএমের একাধিক নেতাকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও রয়েছেন। পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা ও দিল্লির সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকেও আটক করা হয়েছে।

রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

Manual5 Ad Code

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরজুড়ে প্রায় ২৭ হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। ৪০টির বেশি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মধ্য দিল্লির বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেলা ২টা পর্যন্ত ২৫০টির বেশি ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আগের রাতেই অন্তত ১ হাজার ২০০ জনকে আটক করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ককরোচ জনতা পার্টি তাদের নেতাদের আটকের নিন্দা জানিয়েছে। দলটির অভিযোগ, বিক্ষোভস্থলে নেতাদের পৌঁছাতে বাধা দিতে পরিকল্পিতভাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একে চলাচলের স্বাধীনতার লঙ্ঘন উল্লেখ করে আটক নেতাদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে দলটি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কর্মসূচির আওতায় ভোটার তালিকা সংশোধন এবং ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফরমসংক্রান্ত পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে দলটি।

 

নির্বাচন কমিশনের ভেতরেও মতবিরোধের খবর

বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের মতবিরোধের খবর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশি ভোটার তালিকার নির্ভরযোগ্যতা, নতুন ভোটার নিবন্ধনের নিয়ম এবং তালিকা সংশোধন নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছিলেন।

Manual7 Ad Code

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাদের অন্ধকারে রাখা হয়েছিল। একটি ঘটনায় তারা এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে চিঠিও লিখেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন কেন বিতর্কিত?

এই মতবিরোধের খবর সামনে এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর কর্মসূচি চলছে। নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য, ভোটার তালিকা থেকে মৃত, অযোগ্য এবং একাধিক জায়গায় নিবন্ধিত ব্যক্তিদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা হালনাগাদ করাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য। কমিশনের দাবি, প্রায় ২৫ বছর আগে সর্বশেষ এ ধরনের সংশোধন হয়েছিল। তাই পুরোনো তথ্য যাচাই করে তালিকা নতুন করে সাজানো প্রয়োজন।

কিন্তু এই প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন। তাদের অভিযোগ, ভোটারদের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য পুরোনো জন্ম, জমি বা শিক্ষাসংক্রান্ত নথি চাওয়া হচ্ছে। দরিদ্র, অভিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অনেকের কাছে এসব নথি নেই। আবার পুরোনো নথিতে নামের বানান বা অন্যান্য তথ্যে সামান্য অমিল থাকলেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে।

সংশোধন প্রক্রিয়ায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে এরই মধ্যে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ পড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩০ লাখ নাম বাদ পড়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে এই বিতর্কের মধ্যেই বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। মমতা ব্যানার্জী ও বিরোধী শিবিরের নেতারা এ জন্য সরাসরি মোদী সরকারকে দায়ী করেছেন। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।

আন্দোলনের পরিণতি কোন দিকে?

সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়া ভোটাধিকার ও নির্বাচনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের দাবি, ভোটার তালিকা নির্ভুল রাখাই তাদের লক্ষ্য।

দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় ও পরিবহনব্যবস্থায় বিধিনিষেধ আন্দোলনকে আরও আলোচনায় এনেছে। তবে এই বিক্ষোভ শেষ পর্যন্ত কতটা বড় রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না। আপাতত ভোটার তালিকা সংশোধনের স্বচ্ছতা, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই মোদী সরকারের সামনে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৭৮৯১০১১
১১৩৪১৫১৬১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৯৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code