মেসির বিদায়ী জার্সি রাখা হলো রিভার প্লেটের জাদুঘরে
মেসির বিদায়ী জার্সি রাখা হলো রিভার প্লেটের জাদুঘরে
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
স্পোর্টস ডেস্ক :
ফুটবল মাঠের বিদায় মানেই স্মৃতির সমাপ্তি নয়। কিছু মুহূর্ত সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে হয়ে ওঠে ইতিহাসের অংশ। লিওনেল মেসির জাতীয় দলের বিদায়ী ম্যাচের জার্সিও তেমনই এক আবেগঘন স্মারক। আর্জেন্টাইন মহাতারকার সেই ১০ নম্বর জার্সি এখন স্থান পেয়েছে আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব রিভার প্লেটের জাদুঘরে।
মেসির দীর্ঘ ফুটবলযাত্রা, অসংখ্য সাফল্য এবং ভক্তদের সঙ্গে তার আবেগের বন্ধনকে স্মরণীয় করে রাখতেই জার্সিটি সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এটি কেবল একটি পোশাক নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের বিশেষ এক অধ্যায়ের প্রতীক।
Manual6 Ad Code
জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচটি ছিল আবেগে ভরপুর। ৮৫ হাজারের বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে আর্জেন্টিনার বিদায়ী ম্যাচে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় পায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের তিনটি গোলেই অবদান ছিল মেসির।
Manual4 Ad Code
ম্যাচের ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে গোল করেন নিকোলাস ওতামেন্দি। এরপর ৬১ মিনিটে নিকো পাজের দুর্দান্ত গোলেও অবদান রাখেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন পাজ।
Manual4 Ad Code
এরপর ৭১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করে বিদায়ী ম্যাচকে স্মরণীয় করে তোলেন মেসি। তার এমন পারফরম্যান্সে জয় দিয়েই শেষ হয় আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার শেষ অধ্যায়।
ম্যাচ শেষে গ্যালারিজুড়ে ছিল আবেগ, ভালোবাসা আর বিদায়ের বিষণ্নতা। দীর্ঘদিনের প্রিয় তারকাকে জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখতে না পাওয়ার অনুভূতি সমর্থকদের চোখে জল এনে দেয়। একই সঙ্গে তাদের কণ্ঠে ছিল মেসির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।
আর্জেন্টিনার হয়ে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের ইতি টানেন মেসি। জাতীয় দলের হয়ে ২০৮ ম্যাচে ১২৬ গোল করে সর্বোচ্চ ম্যাচ ও গোলের রেকর্ড নিয়ে বিদায় নেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবল কিংবদন্তি।
বিদায়ী ম্যাচের পর নিজের ১০ নম্বর জার্সিটি রিভার প্লেটকে উপহার দেন মেসি। জার্সিতে লিখে দেন ভালোবাসার বার্তাও। সেই স্মৃতিচিহ্ন এখন ক্লাবটির জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
Manual6 Ad Code
জার্সিটি কাচের বাক্সে স্থান পেলেও মেসির ফুটবলীয় জাদু ভক্তদের স্মৃতিতে অমলিন থাকবে। তার অসাধারণ গোল, নিখুঁত পাস আর সতীর্থদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্তগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ফুটবলপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করবে।