শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়ার আহ্বান: ওয়াশিংটনে গ্লোবাল সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান
শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়ার আহ্বান: ওয়াশিংটনে গ্লোবাল সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান
editor
প্রকাশিত মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
Manual8 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার: গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। দুই দিনব্যাপী এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশের ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রনেতাদের জীবনসঙ্গীরা যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
Manual6 Ad Code
সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে শিশুদের সঠিক যত্ন, শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর। বাংলাদেশের নবনির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে বদ্ধপরিকর।’ তিনি দেশে চালু হওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ফার্মার কার্ড’-এর মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন, যা তৃণমূল পর্যায়ে পারিবারিক স্বচ্ছলতা ও শিশুদের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
পেশায় চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ প্রতিরোধের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে শিক্ষাব্যবস্থাকে রূপান্তর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে শিক্ষকদের ট্যাবলেট কম্পিউটার সরবরাহ ও শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট চালুর মাধ্যমে শহর ও গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে।’
Manual1 Ad Code
নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে বলেন, ‘দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমে দেশে নারী শিক্ষার যে বিপ্লব শুরু হয়েছিল, বর্তমান সরকার তা স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিস্তৃত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেওয়া পদক্ষেপগুলো নারী কর্মসংস্থানের যে ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল, তার সুফল আজ দেশ ভোগ করছে।’
অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, নারী উদ্যোক্তা মেহনাজ মান্নান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনী প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। আজ বুধবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত সমাপনী অধিবেশনের মাধ্যমে তার এই সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।