প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২০শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যিনি

editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যিনি

Manual2 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান। জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের চতুর্থ দফার অনানুষ্ঠানিক ভোটে তিনি সবচেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক কূটনীতিক। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডির প্রধান গ্রিনস্প্যান চার দফা গোপন ভোটের মধ্যে তিনবারই শীর্ষে ছিলেন। তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের যে কোনো একটির ভেটো তার এগিয়ে থাকার অবস্থানকে থামিয়ে দিতে পারে।

Manual3 Ad Code

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কূটনীতিকের বরাতে জাতিসংঘবিষয়ক বিশেষায়িত সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মঙ্গলবারের (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোটে গ্রিনস্প্যানের পক্ষে ১০টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে ‘নিরুৎসাহিত’ বা ডিসকারেজ ভোট পড়ে তিনটি এবং দুটি ভোটে কোনো মতামত জানানো হয়নি।

পর্তুগালের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তার উত্তরসূরি হতে সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে চার নারী ও তিন পুরুষ।

চতুর্থ দফার ভোটে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রড্রিগেস-বিরকেট। তিনি আটটি সমর্থন পেয়েছেন। দ্বিতীয় দফার গোপন ভোটে অল্প ব্যবধানে তিনিই শীর্ষে ছিলেন।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রসি। তিনি বর্তমানে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান।
এছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল, ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকি, ইকুয়েডরের মারিয়া ফের্নান্দা এস্পিনোসা এবং উগান্ডার ওলারা ওতুননু।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গত সপ্তাহের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে কয়েকজন প্রার্থী বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে।

Manual5 Ad Code

তবে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন রয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়া সমঝোতার ভিত্তিতে নতুন কোনো প্রার্থীকে শেষ মুহূর্তে মহাসচিব পদে নিয়ে আসতে পারে।

নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে কোনো প্রার্থীকে কমপক্ষে নয়টি ভোট পেতে হবে। একই সঙ্গে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো একটি দেশের ভেটোও এড়াতে হবে। এই পাঁচ দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে গভীর মতপার্থক্য রয়েছে।

এই দুটি ধাপ পার হলে প্রার্থীর নাম জাতিসংঘের সব সদস্য দেশের প্রতিনিধিত্বকারী সাধারণ পরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে দুই প্রার্থীকে ভেটো দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া আটকে যাওয়ার পর অচলাবস্থা কাটাতে নিরাপত্তা পরিষদের এই অনানুষ্ঠানিক ভোটের পদ্ধতি চালু করা হয়। গোপন ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার সমালোচনা থাকলেও বিভিন্ন রূপে এটি এখনো চালু রয়েছে।

Manual7 Ad Code

ভোটে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য প্রতিটি প্রার্থীর ক্ষেত্রে গোপনে তিন ধরনের মতামত দেন, ‘সমর্থন’, ‘নিরুৎসাহিত’ অথবা ‘কোনো মতামত নেই’।

তবে নির্দিষ্টসংখ্যক ভোটের পর নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ব্যালট আলাদা রঙের হয়ে যায়। এর মাধ্যমে কোনো প্রার্থী সম্ভাব্য ভেটোর মুখে পড়তে পারেন কি না, তা বোঝা যায়। তবে কোন দেশ ওই প্রার্থীকে ভেটো দিতে পারে, তা জানা যায় না।

মঙ্গলবারের ভোটে অবশ্য ব্যালটে কোনো রঙের পার্থক্য রাখা হয়নি। ভোট শেষে নিরাপত্তা পরিষদের পর্যায়ক্রমিক সভাপতি ও জাতিসংঘে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরোম বনাফোঁ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পরবর্তী দফার ভোট কবে হবে, তা জানাননি তিনি।

Manual6 Ad Code

জাতিসংঘের মহাসচিবের পদটি ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ঘুরিয়ে দেওয়ার রীতি রয়েছে। সেই বিবেচনায় এবার লাতিন আমেরিকার কোনো প্রার্থী মহাসচিব হওয়ার কথা। বর্তমান দৌড়ে ওই অঞ্চল থেকে একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। তবে ম্যাকি সাল ও ওলারা ওতুননু আফ্রিকার প্রার্থী।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৭৮৯১০১১
১১৩৪১৫১৬১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৯৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code