সিলেট-বিয়ানীবাজার-শেওলা মহাসড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবীতে নাগরিক কমিটির স্মারকলিপি প্রদান
সিলেট-বিয়ানীবাজার-শেওলা মহাসড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবীতে নাগরিক কমিটির স্মারকলিপি প্রদান
editor
প্রকাশিত আগস্ট ১৩, ২০২৫, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
Manual5 Ad Code
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
নানা কারণে বাধাগ্রস্থ হওয়া সিলেট-বিয়ানীবাজার-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে বিয়ানীবাজার উপজেলা নাগরিক কমিটির উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
Manual7 Ad Code
স্মারকলিপিতে শেওলা স্থলবন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট চার লেন সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সিলেট-ঢাকার সাথে এতদঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর হওয়ার পাশাপাশি সড়ক দূর্ঘটনাও হ্রাস পাবে বলে উল্লেখ করা হয়। জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহকারী বিয়ানীবাজারকে কোনভাবে বঞ্চিত করা যাবেনা। প্রবাসী বহুল জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হওয়ার পরও এখানকার জনসাধারণ নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত।
সিলেট-বিয়ানীবাজার-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’ আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত প্রকল্পটির ১০ভাগ কাজও সম্পন্ন হয়নি। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উদ্যোগে গৃহিত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৪ হাজার ২৫৭ কোটি ৭ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়।
Manual5 Ad Code
একটি সূত্র জানায়, গত ২৯ এপ্রিল সিলেট জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রকল্পটির ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে যুক্ত চার লেন সেতু ও অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, সীমান্তবর্তী দুই উপজেলার অল্প কিছু যাত্রী পরিবহন ছাড়া এ পথে বড় ধরনের যান চলাচল নেই। তাই আপাতত চার লেন সড়ক নির্মাণ জরুরি নয় এবং এতে সরকারি অর্থের অপচয় ঘটতে পারে। এই মতামত জেলা প্রশাসক গত ৮ মে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন। এমন সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে চার উপজেলার মানুষ ক্ষুব্দ হয়ে ওঠেন।
বিয়ানীবাজার উপজেলা নাগরিক কমিটির উদ্যোগে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর দেয়া স্মারকলিপিতে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও আগামী উপজেলা নির্বাচনে দলটির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, সেক্রেটারী ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল কাশেম, জামায়াত নেতা আহমদুর রহমান খান ও মাসুম আহমদ চৌধুরী প্রমুখ স্বাক্ষর করেন।