শেখ হাসিনা-কামালকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলকে চিঠির প্রস্তুতি এনসিবির
শেখ হাসিনা-কামালকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলকে চিঠির প্রস্তুতি এনসিবির
editor
প্রকাশিত নভেম্বর ২০, ২০২৫, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা চেয়ে নতুন চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)। চিঠির সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের কপিও সংযুক্ত করা হবে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রায়ের কপি হাতে পাওয়া মাত্রই চিঠি পাঠানো হবে। এর আগে ইন্টারপোলকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ করে দুইবার চিঠি পাঠানো হলেও সংস্থাটি নোটিশ জারির যৌক্তিকতা সম্পর্কে ব্যাখ্যা চেয়েছিল।
Manual3 Ad Code
গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তিনটি অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও দুটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দুজনেই পলাতক ছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও একই সময়ে ভারতে আশ্রয় নেন।
Manual5 Ad Code
রায় কার্যকর করতে এখন তাদের দেশে ফেরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে।
Manual5 Ad Code
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টা আগে থেকেই চলছিল। তখন মামলা বিচারাধীন থাকায় দণ্ডের বিষয়টি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি। এখন রায় ঘোষণা হওয়ায় মৃত্যুদণ্ডের তথ্য যুক্ত করে নতুন করে চিঠি পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও সেই চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা কঠিন হতে পারে। তাই ইন্টারপোলের মাধ্যমে প্রচেষ্টাকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও আলাদা উদ্যোগ নিয়েছে।
রায় ঘোষণার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে; প্রয়োজনে আরও চিঠি দেওয়া হবে।
Manual2 Ad Code
পুলিশের কর্মকর্তারা বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নয়, একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়ায়ই এই উদ্যোগ। আগের চিঠির সময় তিনি শুধু পরোয়ানাভুক্ত ছিলেন, এখন তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত, ইন্টারপোলের নোটিশ জারির ক্ষেত্রে যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।