তারেক রহমানের ফ্লাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো দুই কেবিন ক্রু
তারেক রহমানের ফ্লাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো দুই কেবিন ক্রু
editor
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যেই ফ্লাইটে ঢাকা আসবেন সেটির দায়িত্বে থাকা দুই কেবিন ক্রুকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন—জুনিয়র পার্সার মো. সওগাতুল আলম সওগাত ও ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস জিনিয়া ইসলাম।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, তারেক রহমানের লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরার প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের নিরাপত্তা ও ভিআইপি ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
Manual1 Ad Code
বিমান সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লিখিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতেই ওই দুই কেবিন ক্রুকে ফ্লাইটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। অভিযোগ রয়েছে, তারা নিয়মিতভাবে সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সেলিমের ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।
Manual1 Ad Code
এদিকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি–২০২ ফ্লাইটটি বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। ওই ফ্লাইটে তারেক রহমানের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতাও থাকার কথা।
Manual3 Ad Code
বিমান সূত্র আরও জানায়, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ওই দুই কেবিন ক্রুর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছাড়াও ভিআইপি যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এসব বিবেচনায় তাদের ফ্লাইট দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই ফ্লাইটে জুনিয়র পার্সার মোস্তফা এবং ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস আয়াতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানের ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগ।
Manual4 Ad Code
এর আগে একই ধরনের সিদ্ধান্তের নজির রয়েছে। গত ২ মে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটি ফ্লাইট থেকেও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আল কুবরুন নাহার কসমিক ও মো. কামরুল ইসলাম রিপন নামের দুই কেবিন ক্রুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সে সময়ও ভিআইপি যাত্রীর নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।