প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জুলাই শহীদ পরিবার-যোদ্ধারা সহায়তা পেয়েছেন হাজার কোটি টাকা

editor
প্রকাশিত আগস্ট ৫, ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
জুলাই শহীদ পরিবার-যোদ্ধারা সহায়তা পেয়েছেন হাজার কোটি টাকা

Manual4 Ad Code

 

প্রজন্ম ডেস্ক:

সরকার এ পর্যন্ত (গত ২ বছর) জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সব মিলিয়ে এক হাজার ছয় কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে এককালীন অনুদান, মাসিক ভাতা ও বিদেশে চিকিৎসার খরচ। পুনর্বাসনের জন্য এখন তিন হাজার জুলাইযোদ্ধার প্রশিক্ষণ চলমান। এছাড়া পুনর্বাসনের জন্য নেওয়া হচ্ছে আরও প্রকল্প। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরকার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন আইন, ২০২৬’, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিধিমালা, ২০২৫’ করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে।

 

২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় ঘিরে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্রুত দেশব্যাপী সরকারবিরোধী গণআন্দোলন এবং পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়, পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আন্দোলন চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সহিংসতা ও সংঘর্ষে বহু মানুষ হতাহত হন। পরবর্তীকালে অভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে নিহত ব্যক্তিদের ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহতদের ‘জুলাইযোদ্ধা’র মর্যাদা দেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তাদের আত্মত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতি দিতে সরকার চিকিৎসা, পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে শহীদ ও জুলাইযোদ্ধাদের তালিকাও নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।

 

Manual5 Ad Code

জুলাই শহীদ পরিবারকে এককালীন ৩০ লাখ টাকা ও মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতা দিচ্ছে সরকার। যাচাই-বাছাই ও গেজেট সংশোধনের পর বর্তমানে জুলাই শহীদের সংখ্যা ৮৪৩ জন। এ পর্যন্ত ১৩ জনের শহীদ গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অতি গুরুতর আহতদের ‘ক’ শ্রেণি, গুরুতর আহতদের ‘খ’ শ্রেণি ও সাধারণ আহতদের ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।

 

সরকার কয়েক দফায় তিন ক্যাটাগরির জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করে। তিনটি ক্যাটাগরি মিলিয়ে জুলাইযোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩৬৮ জন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত হওয়া এবং একাধিকবার নাম আসা ২২১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়।

 

আহতদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার। যারা অতি গুরুতর আহত (ক-শ্রেণি) তারা এককালীন ৫ লাখ টাকা পেয়েছেন এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। একটি অঙ্গহানি হয়েছে এমন গুরুতর আহত (খ-শ্রেণি) যারা আছেন তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন এবং এককালীন ৩ লাখ টাকা পেয়েছেন। গ-শ্রেণির আহতদের এককালীন এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তারা প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। পাশাপাশি তাদের চিকিৎসা বাবদ সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।
কোন ক্ষেত্রে কত সহায়তা

জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের এককালীন অনুদান ও মাসিক ভাতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অর্থের সংস্থান থাকলেও নানান জটিলতা, আবেদন না করায় এখনো এককালীন অনুদান পুরোপুরি পরিশোধ করা যায়নি।

 

Manual3 Ad Code

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বাজেট, হিসাব ও অডিট এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব-জুলাই গণঅভ্যুত্থান শাখা) মোহাম্মদ ফারুক হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এ পর্যন্ত ১৪ হাজার ৪৩৬ জন জুলাইযোদ্ধাকে এককালীন ভাতা, মাসিক ভাতা অথবা উভয় ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে পারিবারিক পরিস্থিতি অনুযায়ী কেউ ১০ লাখ, কেউ ২০ লাখ, আবার কেউ ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র পেয়েছেন। এ পর্যন্ত ৮০৪টি শহীদ পরিবারকে সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়েছে। ৭৯০টি শহীদ পরিবারকে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

‘শহীদ পরিবারের জন্য সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতা বাবদ এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। অন্যদিকে, জুলাইযোদ্ধাদের এককালীন আর্থিক সহায়তা হিসেবে ২১৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং মাসিক ভাতা হিসেবে ১৬৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।’

 

‘এ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য ১৫৪ জনকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে, এতে ৩৬৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে শহীদ পরিবার, জুলাইযোদ্ধা, চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তা বাবদ এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে’—বলেন মোহাম্মদ ফারুক হোসেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান শাখা সূত্রে জানা গেছে, শহীদ পরিবারের ভাতা ও সঞ্চয়পত্র নীতিমালা অনুযায়ী বাবা-মা, স্ত্রী এবং সন্তান এই তিন শ্রেণির মধ্যে বণ্টন করা হয়। কোনো শহীদের বাবা-মা না থাকলে স্ত্রী ও সন্তান পুরো সুবিধা পান। আবার স্ত্রী-সন্তান না থাকলে বাবা-মা পুরো সুবিধা পান। সন্তান না থাকলে বাবা-মা ও স্ত্রী সমানভাবে সুবিধা ভাগ করে নেন। তবে কোনো শহীদের স্বামী বা স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করলে তার প্রাপ্য সুবিধা স্থগিত হয়।

 

বাস্তবে অনেকক্ষেত্রে পারিবারিক জটিলতার কারণে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের মধ্যে ভাতা ভাগ করে দিতে হয়। এমনও ঘটনা রয়েছে, যেখানে ২০ হাজার টাকার মাসিক ভাতা চার ভাগে ভাগ হয়ে আলাদা আলাদা হিসাবে পাঠানো হচ্ছে। কোনো কোনো সুবিধাভোগী মাত্র ১ হাজার ৬০০ টাকাও পাচ্ছেন। এসব জটিলতার প্রায় ৮০ শতাংশ এরই মধ্যে সমাধান হয়েছে এবং বাকি সমস্যাগুলোও ধাপে ধাপে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা।

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনও সহায়তা দিয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান, চিকিৎসা সহায়তা, কর্মসংস্থান, শিক্ষাবৃত্তি, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন এবং স্মৃতি সংরক্ষণ-সংক্রান্ত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট যাত্রা শুরু করে এ ফাউন্ডেশন।

 

প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক শহীদের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা, আহত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা এবং ক্ষতি অনুযায়ী জরুরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল ফাউন্ডেশনের। প্রাথমিকভাবে ১১৯ কোটি টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ফাউন্ডেশন। কিন্তু, পরে আর্থিক সংকটে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সহায়তা দিতে পারেনি। এখন অনেকটাই ধুঁকছে এ ফাউন্ডেশন।

 

অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারকে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট দিতে প্রকল্প নিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। শহীদ পরিবারের স্থায়ী বাসস্থান দেওয়ার জন্য জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিজস্ব জমিতে ‘৩৬ জুলাই আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

 

২৫৩ জুলাইযোদ্ধার গেজেট জারির অপেক্ষা, বিবেচনায় আছে আরও

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যাচাই-বাছাই ও গেজেট সংশোধনের পর বর্তমানে জুলাই শহীদের সংখ্যা ৮৪৩ জন। এ পর্যন্ত ১৩ জনের শহীদ গেজেট বাতিল করা হয়েছে। তিনটি ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট জুলাইযোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩৬৮ জন।

নতুন করে শহীদের কোনো বড় তালিকা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন নেই জানিয়ে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেন, ‘তবে ঢাকা জেলা থেকে একজন সম্ভাব্য শহীদকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গত সপ্তাহে একটি চিঠি এসেছে এবং সেটি নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে জুলাইযোদ্ধাদের নতুন আবেদন এখনো যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে।’

তার ভাষ্য, ‘সর্বশেষ প্রায় ২ হাজার ৪০০ জন জুলাইযোদ্ধার আবেদন তদন্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৭৮৯ জনের তালিকা গেজেট করা হয়েছে। পরে আরও ২৭৬ জনের তালিকা এসেছে, যার মধ্যে যাচাই শেষে ২৫৩ জনকে গেজেটের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া আরও ২১০ জনের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। আরও প্রায় ২০০ আবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএসে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হবে। তবে এমআইএস থেকে তথ্য এলেই গেজেট হয় না, এরপরও মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

 

পুনর্বাসনে নেওয়া হবে প্রকল্প

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরকার এখন জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের দিকে জোর দিতে চাইছে। প্রশিক্ষণের কাজ চলমান আছে। প্রশিক্ষণ নিতে ইচ্ছুকরা আবেদন করতে পারছেন। এছাড়া একটি প্রকল্প নেওয়ারও কার্যক্রম চলমান আছে।

পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পর্কে যুগ্মসচিব ফারুক হোসেন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আর্থিক সহায়তা দেওয়াকেই পুনর্বাসনের প্রথম ধাপ হিসেবে ধরা হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে প্রায় তিন হাজার জুলাইযোদ্ধার তালিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকেও প্রয়োজনভিত্তিক আরও কিছু পুনর্বাসন প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, সবাইকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে না। যারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের তালিকা করেই প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি অনেক জুলাইযোদ্ধা এরই মধ্যে বিভিন্নভাবে পুনর্বাসিত হয়েছেনও।

Manual6 Ad Code

 

জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের পুনর্বাসনে নতুন একটি প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা করছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর। এ বিষয়ে সম্প্রতি অধিদপ্তরকে একটি প্রস্তাবনা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কর্মকর্তারা বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে প্রকল্পের কাঠামো ও সম্ভাব্য কার্যক্রম নির্ধারণের কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

Manual1 Ad Code

 

জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরই মধ্যে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এরমধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব বিদ্যমান উদ্যোগের বাইরে নতুন প্রকল্পে এমন সহায়তা অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে, যা জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, নতুন প্রকল্পে উপকারভোগীদের আয়মুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে আর্থিক সহায়তা বা জীবিকা নির্বাহে সহায়ক বিভিন্ন ধরনের সহায়তার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে প্রকল্পের নির্দিষ্ট উপাদান বা কম্পোনেন্ট এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

‘চলতি মাসের মধ্যেই একটি প্রাথমিক প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রস্তাবনা অনুমোদনের পরই প্রকল্পের ধরন, কার্যক্রম, ব্যয় এবং সম্ভাব্য বরাদ্দ চূড়ান্ত হবে। তাই এ মুহূর্তে প্রকল্পের মোট ব্যয় বা আর্থিক বরাদ্দ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়’—যোগ করেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code