তারেক রহমানের নিরাপত্তায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়েন
তারেক রহমানের নিরাপত্তায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়েন
editor
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দর, ৩০০ ফিট এলাকা ও গুলশানসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর পয়েন্টে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
Manual6 Ad Code
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে বিজিবি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
Manual4 Ad Code
এরই মধ্যে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজ। প্রায় ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে ফিরছেন তিনি। একই বিমানে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এদিকে, তারেক রহমানের জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগে থেকেই একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি পৌঁছেছে। এই গাড়িতেই তিনি বিমানবন্দর থেকে পরবর্তী কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং যাতায়াত করবেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার কিছুক্ষণ আগে গাড়িটি বিমানবন্দরে পৌঁছায়। তাকে বরণ করতে দলীয় নেতা-কর্মীরাও সেখানে প্রস্তুত রয়েছেন বলে বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি। ফ্লাইট ‘বিজি–২০২’ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় কিছুক্ষণ অবস্থানের পর তিনি সড়কপথে কুড়িল হয়ে ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করার সূচি রয়েছে।
এরপর ৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান। বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পাশে থাকবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন।
Manual3 Ad Code
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সোয়াট টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।