বিয়ানীবাজারের যতটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে ভোটকেন্দ্র সংস্কার চলছে
বিয়ানীবাজারের যতটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে ভোটকেন্দ্র সংস্কার চলছে
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
মিলাদ জয়নুল:
Manual2 Ad Code
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি একমাসের কম সময়। এ নির্বাচনে দেশের অন্যান্য এলাকার মত বিয়ানীবাজারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে চিঠি দিয়ে প্রস্তুতি নিতে বলার বেশ নড়েচড়ে বসেছে বিয়ানীবাজারের শিক্ষা প্রশাসন।
Manual5 Ad Code
নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার ৮৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। এরমধ্যে মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্টানে ৩৪টি এবং প্রাথমিকে ৫৫টি কেন্দ্র ভোট গ্রহণের জন্য প্রস্তুত রাখা আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৯টি কেন্দ্রের অবস্থা একটু খারাপ। এই ৯টি কেন্দ্র ভোটগ্রহণ উপযোগী করতে তুলতে দ্রুত সংস্কার কাজ চলছে বলে জানান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নৃপেন্দ্র নাথ দাস।
বিয়ানীবাজার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মৌলুদুর রহমান জানান, মাদ্রাসা এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংস্কার কাজ প্রয়োজন নেই। সবগুলো কেন্দ্রই ভোট গ্রহণ উপযোগী।
জানা যায়, সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদরাসাগুলো মূলত ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। নিজস্ব প্রকৌশল বিভাগ না থাকায় এ দপ্তরের ওপর নির্ভরশীল তারা। অন্যদিকে, মাধ্যমিক পর্যায় ও কলেজ এবং মাদরাসা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।
Manual7 Ad Code
অনেক ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বৈদ্যুতিক পাখা বা ফ্যান থাকলেও বাতির ব্যবস্থা নেই। কারণ স্কুলগুলোতে দিনের বেলা ক্লাস হয়। আবার পর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা নেই।
Manual2 Ad Code
বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন, ভোটকেন্দ্রে মূলত পয়:নিষ্কাশন, বৈদ্যুতিক সরবরাহ ব্যবস্থার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে রাতেও কাজ চলবে।
তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের আগের দিন রাতে কেন্দ্রে সরঞ্জাম পাঠানো হবে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। ফলে দুই রাতের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি থাকতে হবে। এছাড়া দিনের বেলায়ও ভোটকেন্দ্রের কক্ষ ও বুথগুলোতে বৈদ্যুতিক বাতির প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক বাতি, গোসলখানা, পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রেরণ করা চিঠিতে বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ করা হবে, সেখানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, সংস্কার বা মেরামত, বুথ ও আঙিনায় বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা এবং টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সিসি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে বিধি মোতাবেক খরচ করা যেতে পারে।