ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলা, স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জন আটক
ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলা, স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জন আটক
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিয়ে রোগীর স্বজন ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় পুলিশ রোগীর ৩ স্বজনকে আটক করেছে। এসময় রোগীর স্বজনরা ভাংচুর ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে হেনেস্তা করেন। এ ঘটনায় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা।
Manual1 Ad Code
এরআগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের চারতলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ১ নারী ও ২জন পুরুষকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে দুজন আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আটককৃতরা সবাই সুনামগঞ্জের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানায়।
Manual7 Ad Code
আটককৃতরা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ (৩৫), একই গ্রামের শিমুল আহমদের স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) ও ছাতক থানাধীন দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া (৩০)।
Manual7 Ad Code
পুলিশ সূত্র জানায়, হামলার ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল শুক্রবার রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এসময় হাসপাতালের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় ১ নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে। তারাও আহত হন। আহতদের মধ্যে ১ নারী ও ১জন পুরুষকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্য পুরুষকে কোতোয়ালি থানায় রাখা হয়েছে।
Manual2 Ad Code
এদিকে শুক্রবার রাতেই এক বিবৃতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, মধ্যরাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত একজন নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে, বিশেষ করে একজন নারী চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের হামলা আমাদের জন্য চরম লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক। এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ও অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে ইন্টার্ন ও জুনিয়র চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।
তারা বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিলেট কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। একই সাথে হামলার ঘটনার পর পরই পুলিশ নারীসহ ৩জনকে আটক করেছে। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।