প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২০শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

সিলেটে আত্মহত্যার প্ররোচনা, প্রধান আসামী পাকড়াও

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ণ
সিলেটে আত্মহত্যার প্ররোচনা, প্রধান আসামী পাকড়াও

Manual8 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
মা ও শিশু সন্তান আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কদমতলি এলাকা থেকে কুতুব উদ্দিনকে (৩১) গ্রেফতার করা হয়। সে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি থানার উত্তর বড়ডহর গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে জুড়ি থানা পুলিশ তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে এসব তথ্য জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, ভিকটিম মরিয়ম আক্তার (২৪) মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানাধীন জাঙ্গালিয়া এলাকার বাসিন্দা। ২০২০ সালে ভিকটিমের সাথে বিবাদী কুতুব উদ্দিন (৩১) এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সাংসারিক বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে মরিয়ম ও কুতুবের মধ্যে ঝগড়া হতো। বিভিন্ন সময় মরিয়ম পিতার বাড়িতে যেতে চাইলে কুতুব তাকে তার সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য বলে।

Manual6 Ad Code

গত ২০২৩ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মরিয়মের মা মারা গেলেও কুতুব তাকে তার মায়ের লাশ দেখতে যেতে দেয়নি। ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর রাতে মরিয়ম ও কুতুবের মধ্যে ঝগড়া হলে মরিয়ম আত্মহত্যা করে মরে যাওয়ার জন্য বলে দোকানে চলে যায়।

ঐদিনই সন্ধ্যায় মরিয়মের পিতা এলাকার মেম্বার সায়েদুর রহমান মোবাইল ফোনে জানান যে মরিয়ম ও তার ছেলে আয়ান মোহাম্মদ তোহাসহ (৪) সহ গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা স্থানীয় পুলিশ ও মেম্বার সায়েদুর রহমানকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে যে রান্নাঘরের আড়কাটের সাথে পৃথক দুটি ওড়না দিয়া তারা ঝুলে আছে।

Manual2 Ad Code

ভিকটিমের পিতার ধারণা পারিবারিক কলহের জেরে এবং ভিকটিমকে তার বাচ্চাসহ প্রায় সময় মরে যাওয়ার জন্য প্ররোচনা দেওয়ায় তার মেয়ে ও নাতি ফাঁসিতে ঝুলে মারা গেছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা মৌলভীবাজারের জুড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

Manual7 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৭৮৯১০১১
১১৩৪১৫১৬১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৯৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code