স্টাফ রিপোর্টার:
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। তাকে কোথায় দাফন করা হবে তা জানিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি।
Manual8 Ad Code
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) রাতে এক প্রতিবেদনে ফারস নিউজের বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফারস নিউজ জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, খামেনির জানাজা শেষে তাকে তার নিজ শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। পাশাপাশি রাজধানীতে একটি বড় পরিসরের গণশোক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।
Manual7 Ad Code
আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা রাজধানীতে সর্বসাধারণের অংশগ্রহণে স্মরণসভা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে জানাজা বা স্মরণানুষ্ঠানের তারিখ ও সময় এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এ বিষয়ে ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
Manual5 Ad Code
এর আগে দুটি মার্কিন সূত্র ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা চালানোর সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই সময়ে চালানো হামলায় খামেনি ও তার শীর্ষ সহযোগীরা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি শামখানি ও ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর।
Manual6 Ad Code
ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, হামলার ঠিক আগে শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে খামেনি একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।
শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে আল জাজিরা। স্যাটেলাইটে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, খামেনির প্রাসাদটি ধসে গেছে। এটির চারপাশ কালো হয়ে গেছে।
এতে বোঝা যাচ্ছে সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। তবে হামলার প্রকৃতি, ব্যবহৃত অস্ত্র কিংবা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।