নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট নগরীর আম্বরখানা এলাকায় দায়িত্ব পালনের সময় মহানগর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মোঃ আলম একটি মোটরসাইকেল রেকার করেন। মোটরসাইকেলটি রেকার করার পর পরই তিনি ড্রাম্পিংয়ে নেয়ার দায়িত্বে থাকা চালক লিটন মিয়া (২২) নামের এক যুবককে বুঝিয়ে দেন। কিন্তু লিটন মোটরসাইকেল ড্রাম্পিংয়ে না নিয়ে নিজেই ব্যবহার করা শুরু করেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে আম্বরখানা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। লিটন রেকারকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন এমন খবর পুলিশের কানে পৌঁছালে পুলিশ মোটরসাইকেল উদ্ধারের পাশাপাশি শনিবার (৭ মার্চ) কোতোয়ালি থানাধীন মেন্দিবাগ এলাকা থেকে লিটনকে গ্রেফতার করে।
Manual3 Ad Code
গ্রেফতারকৃত লিটন সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানাধীন মাহমুদপুর গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে। বর্তমান সে কোতোয়ালি থানাধীন মদিনা মার্কেট এলাকার আল মদিনা আ/এ, ১৮/২ নূর কটেজ বাসায় বসবাস করে আসছে।
Manual3 Ad Code
এদিকে পুলিশ লিটনকে ড্রাম্পিংয়ে চালক দাবি করলেও সে পুলিশের সোর্স হিসেবেই কাজ করে আসছে।
Manual1 Ad Code
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট আম্বরখানা এলাকায় মোটরসাইকেল রেকার করার পর ড্রাম্পিংয়ে নেয়ার দায়িত্বে থাকা চালক লিটনকে মোটরসাইকেল দেন। সে ড্রাম্পিংয়ে না নিয়ে নিজেই ব্যবহার করা শুরু করলে পুলিশ মোটরসাইকেল উদ্ধারের পাশাপাশি তাকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।