নিউজ ডেস্ক :
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির বিরোধের জেরে ভাবী হামিদা খানমকে (৬০) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা ও নাতনী রুমা আক্তার সীমাকে (৪) হত্যাচেষ্টার দায়ে মো. আজলু মিয়া (৪০) নামে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা- অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
Manual1 Ad Code
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের ১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এ রায় দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শেরেনুর আলী।
Manual2 Ad Code
মামলা ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দিরাই পৌরসভার নতুন বাগবাড়ী এলাকায় হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিদা খানমের মেয়ের স্বামী মো. মফশ্বির আলী জানান, পৈতৃক সম্পত্তি কম দামে বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে আসামি আজলু মিয়ার সঙ্গে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী হামিদা খানমের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আজলু মিয়া বসতঘরে ঢুকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে হামিদা এবং তার মেয়ে রুমা আক্তার সীমার ওপর হামলা চালান। এসময় হাতুড়ির উপর্যুপরি আঘাতে ঘটনাস্থলেই হামিদার মৃত্যু হয় এবং শিশু সীমা গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা আজলু মিয়াকে হাতুড়িসহ ঘটনাস্থল থেকে আটক করে এবং আহতদের উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে শিশু রুমা আক্তার সীমাকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
Manual4 Ad Code
ঘটনার পরদিন ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর আটক আজলু মিয়ার বিরুদ্ধে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আদালত আসামি আজলু মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে আজ এ রায় দেন।