নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন ভোলাগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার আরেক আসামী আঙ্গুর মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে র্যাব দোয়ারাবাজার থানায় নারী ও শিশু আইনে মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আঙ্গুর মিয়া দোয়ারাবাজারের উলুকান্দি গ্রামের মৃত আহাদ আলীর ছেলে।
রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আঙ্গুর মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এরআগে রবিবার ভোরে র্যাবের একটি দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ভোলাগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে। জেলা সংবাদ
Manual7 Ad Code
রবিবার দুপুরে এসব তথ্য জানায় র্যাব।
Manual6 Ad Code
র্যাব জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন মল্লিকপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুনামগঞ্জ চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে অমল দাসকে (৪০) গ্রেফতার করেছে র্যাব। গ্রেফতারকৃত অমল সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানার ডুমবন্দ গ্রামের মৃত শৈলেন দাসের ছেলে।
শনিবার সকালে এসব তথ্য জানায় র্যাব।
Manual6 Ad Code
র্যাব জানায়, ভিকটিম সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিমের সাথে তার স্বামীর মনোমালিন্যতার কারনে ৪ বছর থেকে পিতার বাড়িতে বসবাস করে আসছে। গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় অমল দাস ভিকটিমকে ফোন করে ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্পে ডেকে নিয়ে ভিকটিমকে তার মামার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। পরে ভিকটিমকে সিএনজিতে উঠিয়ে মান্নারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে অমল দাস ও আঙ্গুর মিয়াসহ তার সহযোগীরা সারারাত একাধিকবার জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে।
পরবর্তীতে তারা ভিকটিমকে একটি খড়ের ঘরে রেখে চলে যায়। পরেরদিন সকালে ভিকটিম অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।