আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সিলেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সিলেট: বাণিজ্যমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
নগরভবনে উন্নয়ন বিষয়ক সভায় বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, সিলেটকে একটি আধুনিক পর্যটন নগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে এবং আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে।সিলেটের ঐতিহ্যবাহী খাবার
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে নগরভবনের সভাকক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
Manual8 Ad Code
মন্ত্রী বলেন, সিলেটকে একটি ‘ভাইব্রেন্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে—যেখানে থাকবে প্রাণবন্ত পরিবেশ, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। তিনি আরও বলেন, সিলেটের ১০ লাখ নাগরিককে সম্পৃক্ত করতে পারলে একটি নান্দনিক ও টেকসই নগর গড়া সম্ভব। তবে সব প্রকল্প গ্রহণে টেকসই দৃষ্টিভঙ্গিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
জলাবদ্ধতা নিরসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে নিচু এলাকাগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
Manual4 Ad Code
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেটের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে এবং তিনি নিজেই এ নগরের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আধুনিক নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
Manual2 Ad Code
সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূরের পরিচালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
সভায় জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রকৌশলী তন্ময় চাকি। লালদিঘির পাড় সুপার মার্কেটের নকশা উপস্থাপন করেন স্থপতি শাকুর মজিদ এবং নগরভবনের প্রস্তাবিত ইন্টেরিয়র ডিজাইন তুলে ধরেন স্থপতি ইন্তেখাব হোসেন। চলমান প্রকল্পসমূহের বিস্তারিত তুলে ধরেন সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য্য।
Manual2 Ad Code
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সারওয়ার উদ্দিন আহমদ এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন- সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা সুনন্দা রায়, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ, প্রধান এসেসর মো. আব্দুল বাছিত, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ ন ম মনছুফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমান, জনসংযোগ কর্মকর্তা (অ.দা.) নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, কর কর্মকর্তা মো. জামিলুর রহমান, লাইসেন্স কর্মকর্তা রুবেল আহমদ, মো. মাহবুবুর রহমানসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর এবং গীতা পাঠ করেন জ্যোতিষ চক্রবর্তী।