প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

ছেলের পর ডা. প্রান্তের বাবারও রহস্যজনক মৃ ত্যু

editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ণ
ছেলের পর ডা. প্রান্তের বাবারও রহস্যজনক মৃ ত্যু

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেটে ভাড়া বাসা থেকে ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ১১ দিন পর নিজ বাসা থেকে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলের মতো তাঁরও রহস্যজনক মৃতুর ঘটনা ঘটলো। কেউ বলছেন তারা আত্মহত্যা করেছেন, আবার কারও ধারণা মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোন কারণও থাকতে পারে।

Manual7 Ad Code

শুক্রবার পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ মৌলভীবাজার পৌর শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কের ‘ভটের ফার্মেসি’র দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করা হয়। ‘ভটের ফার্মেসি’ পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তিনি ওই ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন।

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গালস্থ একটি ভাড়া বাসা থেকে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ডা. প্রান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।

Manual2 Ad Code

পূর্ণেন্দু চক্রবর্তীর মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে। বছর দুয়েক আগে পুর্নেন্দুর স্ত্রীও মারা যান।

Manual7 Ad Code

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোজ কুমার সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টির তদন্ত চলছে। ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

মৌলভীবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে তার (পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী) চিকিৎসক ছেলে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকেই তিনি বিমর্ষ ছিলেন। একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকেই পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code