প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে

editor
প্রকাশিত অক্টোবর ৬, ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ণ
এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে

Manual4 Ad Code

প্রজন্ম ডেস্ক:

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি এশিয়ার বড় বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে।

 

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এশীয় বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বরে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২০ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। ভারতে রপ্তানি ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে ৫১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময়ে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছিল ৪৮ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য।

এশিয়ার আরেক গুরুত্বপূর্ণ বাজার জাপানেও রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে ৩৯ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার ডলার।

এশিয়ার এসব বাজারে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতেও ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বরে দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

Manual7 Ad Code

এশিয়ার বাজারে রপ্তানি বাড়ার এই প্রবণতা বাংলাদেশের জন্য নতুন বাজার ও পণ্য সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং এশিয়ার সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

Manual4 Ad Code

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি সক্ষমতা, ক্রেতাদের চাহিদা এবং নতুন পণ্য ও বাজারের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘চীন একটি বিশাল বাজার। সেখানে নতুন নতুন পণ্যের বাজার তৈরির সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে ভৌগোলিক নৈকট্য থাকায় আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বড় সুযোগ রয়েছে।’

চীনের বাজারে পণ্য বহুমুখীকরণের ওপর ইপিবি গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে হাসান আরিফ বলেন, দেশটির বিশাল ভোক্তা বাজার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

Manual6 Ad Code

ইপিবির সহযোগিতায় কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ১০ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা ২০২৬-এ অংশ নিয়েছে। এসব আয়োজনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রপ্তানিকারকেরা পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

Manual1 Ad Code

ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্য ও বিশাল ভোক্তা বাজারের কারণে দেশটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ চলছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, ওষুধ ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তিনি জানান।

জাপানের বাজারেও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ এবং হালকা প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

হাসান আরিফ বলেন, এসব বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়াতে পণ্যের মান, সংশ্লিষ্ট দেশের চাহিদা মোতাবেক মান ও বিধিবিধান পরিপালন, সময়মতো সরবরাহ এবং বাজারের চাহিদা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা জরুরি।

রপ্তানি বাজার ও পণ্যের বহুমুখীকরণে ইপিবি বাণিজ্য মেলা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল, বাজার অনুসন্ধান ও বিভিন্ন প্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের সহায়তা করছে বলেও জানান তিনি।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৭৮৯১০১১
১১৩৪১৫১৬১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৯৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code