২০২৫ সালের ১২ জুলাই নিখোঁজ হন শরীয়তপুরের যুবক হানিফ ঢালি। পরিবারের সদস্যরা খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। তিন দিন পর ১৫ জুলাই গোসাইহাটের একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিচয় না থাকায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে বেরিয়ে আসে প্রতিবেশী কয়েকজন মিলে তাকে হত্যা করে। নিহতের বাবা বাদী হয়ে ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। একই ঘটনা ঘটেছে বছর তিনেক আগে রাজশাহীর শাহমখদুম এলাকায়। সেখানে একটি ডোবা থেকে এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পিবিআইয়ের তদন্তে তার নাম রোকসানা বলে জানা যায়। তাকে পরকীয়ার জেরে হত্যা করা হয়।
এই দুটি ঘটনার মতোই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের পর জানা যায় সেটি হত্যাকান্ড। এমন অনেক হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আবার কোনো লাশের কূলকিনারা হচ্ছে না। দিন দিন অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। পুলিশের তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে দুই হাজার অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের তথ্য বলছে ২০২৩ সালে উদ্ধার হয় ৩৬২টি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ। ২০২৪ সালে বেড়ে ৫১০ ও ২০২৫ সালে দাঁড়ায় ৬৪১টিতে। চলতি বছরের ৯ মাসেই উদ্ধার হয়েছে ৪৮৯টি।
অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় শনাক্তের অভাবে ভুক্তভোগীর পরিবার জানতে পারে না স্বজন বেঁচে আছে নাকি মারা গেছেন। ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদার সঙ্গে শেষ বিদায় জানানোর সুযোগও মেলে না। হত্যাকাণ্ড হলেও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বিচার। বছরের পর বছর অনিশ্চয়তা, মানসিক যন্ত্রণা ও সামাজিক সংকটে ভুগতে হয় পরিবারকে।
Manual4 Ad Code
তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এফআইভিইএস অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দিলেও কেবল ফিঙ্গার প্রিন্টভিত্তিক প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব হচ্ছে না। অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্ত অনেক সময় ভয়ঙ্কর অপরাধ উদ্ঘাটনেরও প্রথম দরজা। বহুক্ষেত্রে একটি অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয়ই হয়ে ওঠে পুরো তদন্তের টার্নিং পয়েন্ট। পরিচয় জানা না গেলে হত্যার উদ্দেশ্য, অপরাধী চক্র, পূর্বশত্রুতা, অর্থনৈতিক বিরোধ কিংবা সংঘবদ্ধ অপরাধের নেটওয়ার্ক শনাক্তে মাঝে মধ্যে কঠিন হয়ে পড়ছে।
Manual3 Ad Code
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, যেকোনো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আমরা তদন্ত করছি। অজ্ঞাত লাশগুলোর আরও গভীর তদন্তে অনেক ক্ষেত্রে রহস্য উদ্ঘাটন হচ্ছে। ধরা হচ্ছে অপরাধী। ক্লুলেস ঘটনার রহস্যও বেরিয়ে আসছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ভাসমান মানুষের পরিচয় সংগ্রহ বা তালিকা করা বিশেষ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এতে তারা কোনো অপরাধে জড়িয়ে গেলে যেমন চিহ্নিত করা যাবে, তেমনি মৃত্যুর পর তাদের লাশ স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। অজ্ঞাত লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া উদ্বেগের বিষয়। এটি প্রতিরোধ করতেই হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়াতে হবে। গভীরে গিয়ে তদন্ত করতে হবে।
চ্যালেঞ্জে পড়তে হচ্ছে তদন্ত সংস্থাকে : পুলিশের তথ্যানুযায়ী, অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে নানা চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কোনো অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের পর প্রথমেই সামনে আসে তার পরিচয় শনাক্তের বিষয়টি। কোনো কোনো ঘটনায় মরদেহের পরিচয় জানা গেলেও হত্যার কারণ বের করতে সময় লাগছে। ২০১৯ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে দেশে ৮ হাজার ৪৫৬টি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মধ্যে ৬ হাজার ১১৬টির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। একই সময়ে উদ্ধার হওয়া দুই হাজার ২৭২টি অজ্ঞাত নারী মরদেহের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ৬২৯টি, অর্থাৎ অশনাক্তই রয়ে গেছে এক হাজার ৬৪৩টি।
একাধিক ক্লুলেস হত্যকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন : পাঁচ বছর আগে টাঙ্গাইলে এক অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এর কোনো সাক্ষী-প্রমাণ ছিল না, ছিল না কোনো আলামতও। এক বছর ধরে তদন্ত চললেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরে পিবিআইয়ের তদন্তে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে ঘটনার পেছনের ভয়াবহ চিত্র। যাত্রীবেশে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র অটো ছিনতাইয়ের জন্য চালককে জবাই করে হত্যা করে। বছর দুয়েক আগে চট্টগ্রামে উদ্ধার হওয়া এক অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করা হয়। থানা পুলিশ ওই মামলার কোনো কূলকিনারা না পেয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনও জমা দিয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে পিবিআই তদন্ত করে। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মীর মজিবুর রহমানকে হত্যা করে পরিবারের সদস্যরা।
Manual1 Ad Code
লাশের সারি ক্রমেই হচ্ছে দীর্ঘ : পুলিশ সূত্র জানায়, অজ্ঞাতনামা লাশের সারি ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। একের পর এক পাওয়া যাচ্ছে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ। তবে ঢাকায় অজ্ঞাত লাশের সংখ্যা বেশি বাড়ছে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক ভাসমান মানুষের বসবাস, যাদের কোনো ঠিকানা-পরিচয়পত্র নেই। পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট তদন্ত করে নিশ্চিত হয়েছে শাহবাগ, বিমানবন্দর, কাওলা, কমলাপুর, জোয়ারসাহারাসহ আরও কয়েকটি স্থানে অজ্ঞাত লাশ বেশি উদ্ধার হচ্ছে। লাশগুলো বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, গত ৯ মাসে শাহবাগ এলাকা থেকে ৭৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই সময়ে কমলাপুর থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ৪১টি লাশ উদ্ধার করা হয়। ২০২৫ সালেও ৮১টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার করা হয় শাহবাগে, পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয় ১৩ জনের। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তথ্য বলছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৬০টি বেওয়ারিশ লাশ, ২০২৫ সালে ৬৪৪টি, ২০২৪ সালে ৫৭০টি এবং ২০২৩ সালে ৪৯০টি বেওয়ারিশ লাশ রাজধানীর রায়েরবাজার ও জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ঘাটন হচ্ছে মৃত্যুর রহস্য : পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক অজ্ঞাত লাশ তদন্তে হত্যাকা-ে রূপান্তরিত হচ্ছে। অপরাধী চক্র হত্যা করে নির্জন স্থানে ফেলে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রেললাইনে বেশি লাশ পাওয়া যাচ্ছে। তা ছাড়া নদী ও জলাশয়েও পাওয়া যাচ্ছে লাশ। এসব লাশের রহস্য উদ্ঘাটন করতে বছরের পর বছরও পার হয়ে যাচ্ছে। তারপরও কিছু ক্ষেত্রে রহস্য উদ্ঘাটন হচ্ছে না। এখন প্রযুক্তি বেড়েছে। অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তকরণের পরবর্তী বড় ধাপ হচ্ছে ডিএনএর ব্যবস্থা। বর্তমানে সিআইডি অজ্ঞাত মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে। নিখোঁজ ব্যক্তির স্বজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সংরক্ষিত ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে নিয়মিত ক্রস-ম্যাচ করা গেলে শনাক্তের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এতে পুলিশ সদর দপ্তর, পিবিআই, সিআইডি, র্যাব, রেলওয়ে পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের তথ্য একীভূত করে একটি কেন্দ্রীয় জাতীয় ডাটাবেজ নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে অজ্ঞাত মরদেহ ও নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য প্রচারে কোনো সমন্বিত ডিজিটাল প্লাটফর্ম গড়ে উঠছে না।
লাশের বড় অংশই হত্যাকান্ডের শিকার : সম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থানে লাশ উদ্ধারের পরিসংখান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অজ্ঞাত লাশের বড় একটি অংশই পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। সিআইডি ও পিবিআইয়ের একাধিক তদন্তেও উঠে এসেছে, শত্রুতা, জমিসংক্রান্ত বিরোধ, পরকীয়া, ছিনতাই কিংবা আর্থিক লেনদেনের জেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর ক্ষেত্রে লাশ গোপন করার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। অপরাধীরা মনে করে, লাশের পরিচয় না পেলে নিহতের স্বজনরা মামলা করতে পারবে না। ফলে পুলিশ প্রাথমিক অবস্থায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দিয়ে কাজ শেষ করতে বাধ্য হচ্ছে। সিসিটিভির নজরদারি এড়িয়ে নির্জন পথ, মহাসড়কের পাশে, নদী বা জলাশয় কিংবা ড্রেনে রাতে বা ভোরের দিকে লাশ ফেলে যায় অপরাধীরা। আবার অনেক ক্ষেত্রে হত্যার পর মুখে অ্যাসিড ঢেলে দেওয়া হয় বা মুখমণ্ডল থেঁতলে বিকৃত করে দেওয়া হয়, যাতে পরিচয় শনাক্ত করা না যায়।
অপরাধীদের ‘ডাম্পিং গ্রাউন্ড’ : তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, অজ্ঞাত লাশ গোপনের জন্য অপরাধীদের অন্যতম পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে রেললাইন। প্রতি বছর রেললাইনে হাজারেরও বেশি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়, যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে কেবলই ‘রেল দুর্ঘটনা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অপরাধীরা হত্যার পর গভীর রাতে লাশ এনে রেললাইনের ওপর শুইয়ে দিয়ে যায়। পরে ট্রেন চলে গেলে শরীর খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায় এবং সাধারণ চোখে এটি ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু বা আত্মহত্যা বলে মনে হয়। তা ছাড়া লাশ ট্রেনের চাকায় খণ্ডিত হলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে ময়নাতদন্তে মূল আঘাত বা ধারালো অস্ত্রের ক্ষত চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
পুলিশের তথ্য বলছে, গত ছয় বছরে এক হাজার ৬৯০টি অজ্ঞাত পরিচয় মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে ২৪৮টি, ২০২২ সালে ২৩০টি, ২০২৩ সালে ২৫০টি, ২০২৪ সালে ৩২৪টি, ২০২৫ সালে ৩৮৪টি এবং চলতি বছর আগস্ট পর্যন্ত ২৫৪টি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। বছরে গড়ে ২৯২টি মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়। পরিচয় শনাক্তে মরদেহের দাঁত ও হাড়ের নমুনা সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়।
সীমানা জটিলতার সুযোগে অপরাধীরা : পুলিশের একটি ইউনিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেলওয়ের অভ্যন্তরীণ সীমানা বা জিআরপি পুলিশের অধীনে থাকা এলাকাগুলোতে সাধারণ থানা পুলিশের সরাসরি নজরদারি তুলনামূলক কম। ফলে জিআরপি ও জেলা পুলিশের মধ্য দূরত্বের সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। সঠিক সীমানা না থাকায় কোন থানায় মামলা হবে তা নিয়েও দীর্ঘ সময় লেগে যায়। অধিকাংশ অজ্ঞাত লাশের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সুরতহালে মৃত্যুর স্পষ্ট কারণ বোঝা না গেলে পুলিশ কেবল ‘অপমৃত্যু মামলা’ দেয়। কোনো কোনো অজ্ঞাত লাশের মামলা তদন্তে প্রত্যক্ষদর্শী না থাকা, লাশের পরিচয় না মেলা এবং পারিপার্শ্বিক প্রমাণের অভাবে তদন্ত প্রক্রিয়া থেমে যায় মাঝেমধ্যে।
সিসিটিভি ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা : হাইওয়ে বা নির্জন রেললাইনের আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকা একটি বড় দুর্বলতা। কোনো লাশের দাবিদার না পেলে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ দাফন করা হচ্ছে। অনেক সময় ময়নাতদন্তের পর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হলেও পরে মূল অপরাধী ধরা পড়লে বা স্বজনদের খোঁজ পাওয়া গেলেও ফরেনসিক প্রমাণের দীর্ঘসূত্রতা বিলম্বিত করছে। এই প্রসঙ্গে পুলিশের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ও নির্জন রেললাইন পয়েন্ট এবং মহাসড়কের মোড়গুলোতে নাইটভিশন সিসিটিভি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জিআরপি ও সাধারণ থানা পুলিশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বিত তদন্তের জন্য সমন্বয় সেল গঠন করা হচ্ছে। সিভিল সার্জন ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিখুঁত ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নিশ্চিত করা হচ্ছে কি না তাও মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হচ্ছে।