নিজস্ব প্রতিবেদক:
ধর্ষণকারীর বসত ঘরের সাথে টিউবয়েল থেকে পানি আনতে গিয়ে এবার জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কিশোরী। মুখ চেপে ধরে বসত ঘরে নিয়ে কিশোরীর হাত, পা ও মুখ বেঁধে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে তার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সুফিয়ান নামের এক যুবক। ধর্ষণের ঘটনায় কিশোরীর মামা জামালগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন এ বছরের ৫ এপ্রিল। মামলার পর পরই রবিবার (৫ এপ্রিল) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মামলার একমাত্র আসামী সুফিয়ানকে (৩০) সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানাধীন সাচনা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা র্যাব তাকে গ্রেফতার করে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে গ্রেফতারকৃত সুফিয়ানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। সোমবার দুপুরে এসব তথ্য জানায় র্যাব।
র্যাব জানায়, কিশোরী সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানাধীন সুজাতপুর গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। বিবাদী সুফিয়ানও একই এলাকার বাসিন্দা। গত বছরের ২১ নভেম্বর দুপুরে কিশোরী সুফিয়ানদের বসত ঘর সংলগ্ন টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে গেলে তাকে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তার বসত ঘরে নিয়ে যায় সুফিয়ান।এসময় কাপড় দিয়ে ভিকটিমের হাত, পা ও মুখ বেঁধে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
Manual4 Ad Code
কিশোরী কান্নাকাটি করলে সুফিয়ান তাকে বিয়ের আশ্বাস দেয় এবং সেই সাথে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য হত্যার হুমকি দেয়। ভিকটিম প্রাণের ভয়ে কাউকে কোন কিছু বলেনি। পরবর্তীতে সুফিয়ান ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেখিয়ে তার বসত ঘরে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। কিছু দিন অবিবাহিত হওয়ার পর ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে ভিকটিমের মা তাকে জিজ্ঞাসা করলে ভিকটিম তার মাকে সুফিয়ান কর্তৃক জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা জানায়।
Manual6 Ad Code
সিলেট র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম শহীদুল ইসলাম সোহাগ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের ১২ ঘণ্টার মধ্যে র্যাব সুফিয়ানকে গ্রেফতার করে।