মোবাইল নম্বর ছড়িয়ে দিয়ে শাবি ছাত্রীকে হয়রানির অভিযোগ, আটক ১
মোবাইল নম্বর ছড়িয়ে দিয়ে শাবি ছাত্রীকে হয়রানির অভিযোগ, আটক ১
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
শাবি প্রতিনিধি:
Manual2 Ad Code
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে মোবাইল নম্বর ছড়িয়ে দিয়ে এক ছাত্রীকে হয়রানির অভিযোগে দোকানের কর্মচারীকে পুলিশে দিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন।
Manual6 Ad Code
সিলেটের জালালাবাদ থানায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর করা সাধারণ ডায়েরির পরিপ্রেক্ষিতে ওই যুবককে আটক করে মঙ্গলবার রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে জালালাবাদ থানা পুলিশ।
Manual8 Ad Code
পরে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে রাত ১২টার দিকে তাকে পুলিশে সোপর্দ করে প্রশাসন।
আটক আশরাফুল ইসলাম (২৫) বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন মদিনা মার্কেটের একটি প্রিন্টিং দোকানে কাজ করে। তার বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে।
প্রক্টর অফিস ও শিক্ষার্থীর জিডির বরাতে জানা যায়, সম্প্রতি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রেজেন্টেশন পেপার প্রিন্ট করতে মদিনা মার্কেটের হক ম্যানশনের একটি দোকানে যান। সেখানে দোকানের কর্মচারী অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী কিছু টাকা দিয়ে সেখান থেকে চলে আসেন। পরবর্তীতে ওই কর্মচারী ফোন করে আরও টাকা দাবি করেন।
টাকা না দেওয়ায় তিনি ওই শিক্ষার্থীকে মদিনা মার্কেট এলাকায় গেলে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন’।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, পরে দোকানের ওই কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেয়। এর জের ধরে গত দুই দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অচেনা লোকজন ফোন ও মেসেজ দিয়ে শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন অসামাজিক কথাবার্তা ও অনৈতিক কাজের মেসেজ দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. সাদমিম হাসান সিফাত বলেন, “দোকানের একজন অপারেটর বিভিন্ন অসামাজিক কল সার্ভিসে ওই ছাত্রীর ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেয়। পরে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করে, পাশাপাশি থানায়ও জিডি করেন।
Manual7 Ad Code
“প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করেছে। এজন্য তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওই ছাত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে আজকে (বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান বলেন, “এখানে আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়। তাই মামলাটি শক্তভাবেই করা হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।”
এ বিষয়ে জালালাবাদ থানার ওসি শামছুল হাবিব বলেন, “একজন নারী শিক্ষার্থীকে মুঠোফোনে হেনস্তা ও তার নম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মামলা করলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”