বালিঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার স্তূপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা
বালিঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার স্তূপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা
editor
প্রকাশিত আগস্ট ১১, ২০২৫, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
বিয়ানীবাজারের বালিঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে ময়লা-আবর্জনার বিশাল স্তূপ জমা হয়ে আছে। এই ময়লার ভাগাড় থেকে ছড়াচ্ছে উৎকট গন্ধ, দূষিত হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ। বাড়ছে মশা-মাছির উপদ্রব। গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে বিদ্যালয়েরঅধ্যয়নরত কোমলমতি কয়েকশত শিক্ষার্থীসহ এলাকার বাসিন্দারা।
এ অবস্থায় শ্রেণীকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণে কষ্ট হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে এমন অবস্থা চলতে থাকলেও ময়লা পরিচ্ছন্ন করার কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও এ বিষয়ে উদাসীন।
Manual5 Ad Code
Manual8 Ad Code
শেওলা ইউনিয়নে বালিঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত। এ বিদ্যালয়ে ৩৫০-৪০০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এখানে শিক্ষক রয়েছেন ১২ জন।
Manual6 Ad Code
সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুলের প্রধান ফটকের পাশ ঘেঁষে ময়লা-আবর্জনার বিশাল ভাগাড় গড়ে তোলা হয়েছে। সচেতনভাবে একটি মহল এমন পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। এখানে ফেলা হচ্ছে বাসা বাড়ির ময়লা,পচা-বাসি খাবারসহ সব ধরনের আবর্জনা। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই এগুলো আরোও পচে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে। দুর্গন্ধে ওই রাস্তায় পথচারীদেরও সমস্যা হচ্ছে।
বালিঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী আরাফাত জানায়, ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে শ্রেণীকক্ষে বসা খুবই কষ্টের। বিদ্যালয়ে যতক্ষণ থাকি ততক্ষণ আমাদের দুর্গন্ধের মধ্যে কাটাতে হয়। দুর্গন্ধে বমি বমি ভাব চলে আসে। এরকম অবস্থা অনেক দিন থেকে চলছে।
আব্দুস সালাম নামে এক অভিভাবক জানান, দুর্গন্ধের কারণে স্কুলের গেটের সামনে দাঁড়ানো যায় না। প্রতিদিন এখানে ময়লা ফেলা হয়। এজন্যে আমার মেয়ে স্কুলে যেতে চায় না, জোর করে নিয়ে এসেছি। কয়েকদিন পর পরই মেয়ে অসুস্থ হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম বলেন, ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধের ফলে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস ও রাস্তায় চলাচল করতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ছে মশার উপদ্রব। আমাদের শিক্ষার্থীরা দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তাছাড়া বর্ষাকাল আসলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
বিয়ানীবাজার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মৌলুদুর রহমান বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাকে বিষয়টি জানায়নি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।