অভিনব প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়েছেন বিয়ানীবাজারবাসী। পণ্য ক্রয়ের নাম করে বিক্রেতার কাছে গিয়ে ক্যাশ অথবা পকেট থেকে বান্ডেল-বান্ডেল টাকা নিয়ে সটকে পড়ছে তারা। রবিবার একই দিনে পৃথক তিনটি ঘটনায় বিয়ানীবাজার পৌরশহরের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ লক্ষ করা গেছে। এছাড়া উপজেলার গ্রামীণ এলাকায় স্বর্ণ, টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়ার খবর পাওয়া গেছে।
Manual6 Ad Code
Manual4 Ad Code
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া দু’টি ভিডিও ক্লিপ থেকে দেখা যায়, স্মার্ট পোষাকে মাথায় ক্যাপ পরা এক ব্যক্তি দোকানে প্রবেশ করে পণ্য ক্রয় করে টাকা পরিশোধ করছেন। এরপর ওই টাকার ভাংতি দেয়া নিয়ে কথা বলার ফাঁকে প্রতারক ওই ব্যক্তি ব্যবসা প্রতিষ্টানের ক্যাশের ভিতর থেকে টাকার বান্ডেল বের করেন। বান্ডেলটি বের করে নাড়াচাড়া করার পর দোকান মালিকের সামনেই তা পকেটে ভরে বেরিয়ে যান। একই ব্যক্তি মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে দক্ষিণ বাজারের আরোও একটি প্রতিষ্টানে গিয়ে একই রকম প্রতারণা করে নির্ভিগ্নে চলে যান। মেসার্স আব্দুর রহমান দুধ ঘর নামীয় ওই প্রতিষ্টানে তখন বেশ কয়েকজন ক্রেতা উপস্থিত ছিলেন। অপর প্রতিষ্টানটি একটি মুদি দোকান। প্রতারণার শিকার তিনটি প্রতিষ্টান থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। শহরের চাউল গলির আরেকটি ব্যবসা প্রতিষ্টান একই প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে।
মেসার্স আব্দুর রহমান দুধ ঘরের স্বত্ত¡াধিকারী আব্দুর রহমান জানান, কাপ দই ক্রয় করে ১ হাজার টাকার নোট বের করে দেয় প্রতারক। তিনি ভাংতি দিবেন বলে টাকার বান্ডেল বের করলে নতুন নোট দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে বান্ডেলই নিয়ে যায়। তিনি বলেন, সুদর্শণ প্রতারক মাথায় এমনভাবে ক্যাপ পরেছে যে সিসিটিভি ক্যামেরায় তার মুখ দেখার সুযোগ নেই। তারা সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে এবং দুবাই ফেরত প্রবাসী বলে জানায়।
বিয়ানীবাজার চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি এনাম উদ্দিন বলেন, এটা বড় ধরনের প্রতারণা। শহরের প্রতিষ্টিত ব্যবসা প্রতিষ্টানগুলো তারা টার্গেট করেছে।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ উজ্জামান বলেন, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তবে ব্যবসায়ীদের আরোও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।