সিলেট-৬ বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ আসন থেকে জমিয়তে ইলামায়ে ইসলামের হাফিজ ফখরুল ইসলামকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় মহাসচিব। নির্বাচনী আসনের দুই উপজেলায় দলীয় শীর্ষস্থানীয় নেতার এই পরিচিতি ঘোষণার পর খেজুর গাছের প্রার্থী বেশ সাড়া ফেলে দেন। তাকে নিয়ে রীতিমত হইচই পড়ে যায়। উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পিছিয়ে থাকা বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেশ কিছু প্রকল্প সম্পন্ন করেন তিনি। সাধারণ ভোটারদের মন জয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দেয়ার চেষ্টা করেন তরুণ প্রার্থী হাফিজ ফখরুল।
Manual7 Ad Code
যদিও তার সেই মনোবলে চিড় ধরে মঙ্গলবার দুপুর থেকে। কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপির সাথে আসন সমঝোতার জোটে বাদ পড়েন এই প্রার্থী। দলীয় নেতাকর্মীরা নীরব হয়ে পড়েন। প্রার্থী ঘোষণার এমন আকস্মিকতায় জমিয়তের নেতাকর্মীরা বেশ ক্ষুব্দ। কী করবেন তারা-এমন প্রশ্ন জাগে রাজনৈতিক মহলে।
আসন্ন নির্বাচনে হাফিজ ফখরুল কী স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন, নাকি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিবেন-তা নিয়েও আলোচনা চলছে। বিয়ানীবাজার পৌর জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সেক্রেটারী হাফিজ আব্দুল্লাহ জানান, বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের দলীয় মুরব্বীরা বসবেন বুধবার। তাদের সবার সিদ্ধান্তে করনীয় ঠিক করা হবে।
Manual1 Ad Code
সূত্র জানায়, বিএনপির হাইকমান্ডের সাথে সিলেট-৬ আসন নিয়ে বেশ দেনদরবার করেন জমিয়তের নেতৃবৃন্দ। তবে শেষ পর্যন্ত এই আসনে তাদের ছাড় দিতে হয়েছে।
বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জে জমিয়তের নেতাকর্মীরা হাফিজ ফখরুলকে নিয়ে বেশ আশাবাদী ছিলেন। তিনি প্রার্থী হবেন, এমন আশায় কঠোর পরিশ্রম করেন তারা। সোমবার সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতার বিষয়ে জানতে একাধিকবার হাফিজ ফখরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনের সংযোগ পাওয়া যায়নি।
Manual6 Ad Code
সচেতন ব্যক্তিবর্গ জানান, রাজনীতিতে কখন যে কাকে বলি হতে হয়, তার আগাম সূত্র পাওয়া যায়না। এমন অনিশ্চিত পথে হাফিজ ফখরুল ফের হাঁটা শুরু করবেন নাকি ঘরে ফিরে যাবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরোও কিছু সময়।