‘কিছুদিনের মধ্যেই’ শুরু হচ্ছে সিলেট-শেওলা চারলেন প্রকল্পের কাজ, জানালেন এমপি এমরান
‘কিছুদিনের মধ্যেই’ শুরু হচ্ছে সিলেট-শেওলা চারলেন প্রকল্পের কাজ, জানালেন এমপি এমরান
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ণ
Manual7 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট-শেওলা চারলেন সড়ক প্রকল্পের কাজ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট-৬ (গোলঅপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী।
Manual8 Ad Code
শনিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমরান আহমদ এ তথ্য জানিয়ে লিখেন- ‘সিলেট-শেওলা ছয় লেন ও চারলেন সড়ক প্রকল্পটি সিলেট বিভাগের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প। ইনশাআল্লাহ, আগামী অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এ প্রকল্পের কাজও শুরু হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে। যোগাযোগব্যবস্থায় আসবে নতুন গতি, সৃষ্টি হবে উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা।’
জানা যায়, সিলেট থেকে শেওলা স্থলবন্দর পর্যন্ত যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহনের যাতায়াত সহজ করতে এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সিলেটের চার উপজেলায় ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে।
২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল একনেক বৈঠকে অনুমোদিত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। এর মেয়াদ নির্ধারণ করা ছিল ১ জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করতে না পারায় প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প দায়িত্বশীলরা।
Manual3 Ad Code
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ৪ হাজার ২৫৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নে ২ হাজার ৮৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে দেবে বিশ্বব্যাংক। বাকি ১ হাজার ৩৭০ কোটি ২৫ লাখ টাকা দেবে সরকার। প্রকল্পে বিভিন্ন পরামর্শক সেবা খাতে মোট ১০৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হয়।
Manual7 Ad Code
শনিবার ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে নিজের নির্বাচনী এলাকার সড়ক সংস্কারের বিষয়ে এমরান আহমদ আরও লিখেন- আপনারা অবগত আছেন, দীর্ঘদিন ধরে গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও জকিগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
Manual4 Ad Code
ইনশাআল্লাহ, ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সড়কের গর্তগুলো সংস্কার ও মেরামতের কাজ শুরু হবে। আশা করছি, এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে।