প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর সন্তুষ্ট ৭০ শতাংশ মানুষ: আইআরআই জরিপ
প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর সন্তুষ্ট ৭০ শতাংশ মানুষ: আইআরআই জরিপ
editor
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২, ২০২৫, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
মার্কিন ফেডারেল সরকারের অর্থায়নে রিপাবলিকান পার্টি-ঘনিষ্ঠ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) পরিচালিত এক জরিপের ভিত্তিতে জানিয়েছে যে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বাংলাদেশের মানুষ ব্যাপক আস্থা প্রকাশ করেছেন।
Manual8 Ad Code
এই জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৬৯ শতাংশ বলেছেন যে, ড. ইউনূস ভালো কাজ করছেন এবং ৭০ শতাংশ জানিয়েছেন যে, তারা অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট।
Manual2 Ad Code
আইআরআই এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সিনিয়র পরিচালক জোহান্না কাও বলেন, ‘স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে মানুষ অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখছেন। তার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জনগণের এই আস্থা স্থিতিশীলতা, জবাবদিহি ও সংস্কারের ব্যাপক প্রত্যাশা তুলে ধরে।’
Manual2 Ad Code
এই জরিপটি ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের সেন্টার ফর ইনসাইটস ইন সার্ভে রিসার্চের পক্ষে একটি স্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়। ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং সিএপিআই (কম্পিউটার অ্যাসিস্টেড পার্সোনাল ইন্টারভিউয়িং) পদ্ধতিতে সরাসরি উপস্থিত হয়ে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
Manual2 Ad Code
জরিপে ৪ হাজার ৯৮৫ জন অংশগ্রহণ করেন, যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি। বাংলাদেশের আটটি বিভাগের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়, তবে রাঙামাটি জেলা থেকে কোনো নমুনা বাছাই করা হয়নি। জরিপকারীদের দাবি, এই জরিপের আস্থার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ এবং ১ দশমিক ৪ শতাংশ এদিক-সেদিক হতে পারে।
জরিপে দেখা যায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের আগ্রহও অনেক। ভোট দিতে খুবই আগ্রহী বলে জানিয়েছে ৬৬ শতাংশ ভোটার, আর ২৩ শতাংশ কিছুটা আগ্রহী বলে জানিয়েছেন। এছাড়া, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে বিশ্বাস করেন জরিপে অংশ নেওয়া ৮০ শতাংশ লোক।
পরিচালক কাও আরও বলেন, ‘বাংলাদেশিদের এই উৎসাহ-উদ্দীপনা প্রমাণ করে সংস্কার প্রক্রিয়া ধরে রাখা এবং নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ আইআরআই নিয়মিতভাবে বাংলাদেশে জনমত জরিপ পরিচালনা করে থাকে এবং আসন্ন নির্বাচন ঘিরে প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্বশীল ও ইস্যুভিত্তিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর কাজ করছে।