প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিয়ে না করা সেই জিসানকে বহিষ্কার করল শিবির
প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিয়ে না করা সেই জিসানকে বহিষ্কার করল শিবির
editor
প্রকাশিত জুন ১৩, ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
Manual2 Ad Code
কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জিএস এস এম ফরহাদ।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
Manual8 Ad Code
এস এম ফরহাদ লেখেন, গত রাতে (১২ জুন) পুলিশ জিসানকে উদ্ধার করার পর থেকে আজ (শনিবার) দুপুর ১টা ৩০ পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধিদল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেয়নি প্রশাসন। এখনো জিসান পুলিশের জিম্মায় রয়েছে। ফলে নিখোঁজ সংক্রান্ত তার বিস্তারিত বক্তব্য জানার সুযোগ আমরা পাইনি।
ফলশ্রুতিতে, নিখোঁজ কিংবা অপহরণ সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছাড়া দ্বিতীয় কোনো সোর্স এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই।
ফরহাদ আরো লেখেন, জিসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী বিধবা নারী লিজা আক্তারের বড় বোন জানিয়েছেন, গতকাল বিকেলে ১৫-২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের লোক তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যায়। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের তার সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, লিজা ও তার বাবাকে এখনো পুলিশের জিম্মায় আইসোলেটেড অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক লেখেন, লিজার বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানান, বাড়ি থেকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় থেকে শুরু করে থানায় নেওয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি— কোনো বিষয় সম্পর্কেই তিনি বিস্তারিত অবগত নন। কারণ, তিনি বা তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের জিম্মায় থাকা তার বোন লিজা ও তার বাবার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে তিনি জিসান এবং লিজার প্রেমের সম্পর্কের ব্যাপারে আগে থেকেই অবগত বলে জানিয়েছেন।
শেষে তিনি লেখেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় এখন পর্যন্ত আমরা নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হইনি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে কোনো ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।