চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ৪২ জন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ৪২ জন
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১১, ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
জেলা প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন করে আরও ৪২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ ১১ অক্টোবর পর্যন্ত হাসপাতালটিতে সর্বমোট ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯ জনে।
Manual3 Ad Code
রোববার (১১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ, ৮ জন নারী এবং ৭ জন শিশু (৩ জন ছেলে ও ৪ জন মেয়ে) রয়েছে।
Manual4 Ad Code
জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পূর্বের ভর্তি থাকা ৮৩ জন এবং নতুন ৪২ জনসহ মোট রোগীর মধ্য থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ছাড়পত্র প্রাপ্তদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ, ১৫ জন নারী এবং ১০ জন শিশু রয়েছে। এছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য ২ জন পুরুষ রোগীকে অন্যত্র রেফার্ড করা হয়েছে। এই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যার মধ্যে ৩৮ জন পুরুষ, ২৮ জন নারী এবং ৮ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ৪ জন মেয়ে) রয়েছেন।
অন্যদিকে, হাসপাতালের বহির্বিভাগেও ডেঙ্গু রোগীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বহির্বিভাগে নতুন করে ৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ফলে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ১ হাজার ৬০৭ জনে।
Manual6 Ad Code
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল থেকে মোট ১৩৭ জন ডেঙ্গু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে এবং এ সময়ের মধ্যে হাসপাতালে মোট ৩ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাহবুব হাসান বলেন, আমাদের এখানে চিকিৎসক সংকট রয়েছে, তার মধ্যেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এছাড়া ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তিনজন চিকিৎসককে জেলা হাসপাতালে সংযুক্তি পূর্বক পদায়ন করা হয়েছে।
Manual4 Ad Code
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডা. এ. কে. এম. শাহাব উদ্দীন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ১৫টি ওয়ার্ডকে ৮ ভাগে বিভক্ত করে টিম গঠন করা হয় এবং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। এই কার্যক্রম মূলত জনসচেতনতা বা এডিস মশার প্রজনন ধ্বংস করা। ইতোমধ্যে কয়েকটি বাসাবাড়ির মালিককে জরিমানাও করা হয়েছে। আশা করা যায়, এই কার্যক্রম চলমান থাকলে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যেতে পারবো, ইনশাল্লাহ।