সিলেটে মধ্যরাতে সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেলে শাবি শিক্ষার্থীর
সিলেটে মধ্যরাতে সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেলে শাবি শিক্ষার্থীর
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১১, ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদমান রহমান নিহত হয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন তপোবন আবাসিক এলাকার সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাদমানের বাড়ি রাজবাড়ীর মধ্য ভবানীপুর এলাকায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন টিলারগাঁও এলাকার একটি মেসে থাকতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা শেষে মোটরসাইকেলে করে মদিনা মার্কেট এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন সাদমান। পথে গতিরোধকের (স্পিডব্রেকার) কাছে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি সড়ক বিভাজকে ধাক্কা খায়। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
Manual7 Ad Code
দুর্ঘটনার পর উপস্থিত লোকজন সাদমানের সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। পরে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে সাদমানকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
Manual6 Ad Code
এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার তদন্ত কর্মকর্তা মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “গতিরোধকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি সড়ক বিভাজকে ধাক্কা খেয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে দুর্ঘটনা বলেই মনে হচ্ছে।”
Manual8 Ad Code
তিনি আরও জানান, নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।
Manual5 Ad Code
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান বলেন, “তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো শাবিপ্রবি পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। সাদমানের অভিভাবকদের আমরা বিষয়টি অবহিত করেছি। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সাপেক্ষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের দুজন শিক্ষার্থী মরদেহবাহী গাড়ির সঙ্গে রওনা দিয়েছেন।