“জনসেবা ইউনিভার্সিটি গল্পের বাস্তবতার শিকার কসবা গ্রাম”
“জনসেবা ইউনিভার্সিটি গল্পের বাস্তবতার শিকার কসবা গ্রাম”
editor
প্রকাশিত জুলাই ৯, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
এডভোকেট মোঃ আমারন উদ্দিন:
বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা কার্যালয়ের সম্মুখ দিয়ে কসবা গ্রামের মধ্যদিয়ে শ্রীধরা গ্রাম হয়ে কুড়ারবাজার কলেজ এর সম্মুখ পর্যন্ত রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ কিঃমি। প্রায় লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা। পূর্ব পুরুষদের গড়ে তোলা শিক্ষা প্রতিষ্টানে যাতায়াত ব্যবহার করে থাকেন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। উক্ত রাস্তাটির উপকার ভোগী সাধারন জনগণের পাশাপাশি বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ, কুড়ারবাজার কলেজ, বৈরাগীবাজার আইডিয়াল কলেজ, বিয়ানীবাজার সিনিয়র মাদ্রাসা, পি এইচ জি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যানিকেতন, কসবা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কসবা সরকারি আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীরা ব্যবহার করে থাকেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের দিক্কার জানিয়ে বলে থাকেন বাংলাদেশের কি কোনো সরকার বা অব্যবস্থা দেখার কেউ নেই? ছাত্র ছাত্রীদের ক্ষোভের কোন সদ উত্তর দেওয়ার কোন ভাষা থাকেনা অভিভাবকদের। অনেক মহিলা কটাক্ষ করে বলেন উক্ত রাস্তা দিয়ে গেলেই এমনিতেই ডেলিভারী বা এবরশন হয়ে যায়। সরকার বা প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষ কি এর দায় এড়ানোর সুযোগ আছে?
সহজ সরল সাধারণ জনগণ কিন্তু কসবা গ্রাম থেকে এম.পি, মন্ত্রী, জেলা পরিষদের মেম্বার, মেয়র ইত্যাদি পদে নির্বাচিত করেছেন। গ্রামবাসী এমনিতেই যেকোন ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ। শতভাগ উন্নয়ন ও সম্মানের আশা নিয়ে প্রার্থীকে বিজয়ী করেছেন প্রার্থীদের। বিজয়ী প্রার্থীরা গ্রামবাসীর আশা আকাংখায় ছুরিকাঘাত করে সাধারণ জনগণের সাথে প্রতারনা করেছেন। গ্রামের উন্নয়ন ও মানব সম্মান ক্ষুন্ন করেছেন বলে ভোক্ত ভোগী জনগন মনে করিতেছেন। তাহাদের আলোচনা ও সমালোচনা থেকে মনে করিয়ে দেয়, প্রখ্যাত লেখক আবুল মনসুর আহমেদের রচিত জনসভা ইউনিভার্সিটির গল্পের কথা। ক্ষমতালোভী শিক্ষিত চতুরা গ্রামের আমজনতা কে একত্রিত করে বললেন গ্রামের অভূতপূর্বক উন্নয়ন সাধন করতে হলে বিশেষ ক্ষমতা ব্যক্তি নির্বাচিত করা দরকার। গ্রামবাসী সাধারন জনগণ এসব কথা লোভী ব্যক্তিদের কথায় বিশ্বাস করে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে মেম্বার, চেয়ারম্যান, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, এমপি, মন্ত্রী, ইত্যাদি নির্বাচিত করলেন। এসব পদে নির্বাচিত করার পর গ্রামবাসীর সাথে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে ঐদ্যত্য পূর্ণ ভাবে প্রতারিত হন। তবে তাহাদের আখের গোছাতে ভুলেন নাই। উল্লেখ করা প্রয়োজন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার জামানায়ে প্রায় ১৭ বছর রাস্তাটি ব্যবহার করেছেন কসবা গ্রামের গর্বিত সন্তান জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ, এমপি, মন্ত্রী, জেলা পরিষদের মেম্বার মো: নজরুল হোসেন, মেয়র আব্দুস শুক্কুর, মেয়র ফারুকুল হক, কিন্তু বাহিরে থেকে আগত অতিথিরা কটাক্ষ করে বলেন এই নাকি রথি মহারথীদের উন্নয়ন।
তবে হালের প্রশাসনের নিকট দাবি করতে চাই জরুরি ভিত্তিতে রাস্তাটি সংস্কার করে মুখোশধারী জনবান্ধব নেতাদের মুখে চুনকালি দিয়ে বলেন আমরা পারি।
Manual7 Ad Code
লেখক, সভাপতি-সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), বিয়ানীবাজার, সিলেট। মোবা: ০১৮১৯১৭৬২১৭