স্পোর্টস ডেস্ক:
চলতি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। শনিবার (দিবাগত রাত ৩টায়) মায়ামিতে সেমিফাইনালে ওঠার এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে ইংলিশদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড।
গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে থাকা এই স্ট্রাইকারকে এবার আসন্ন ম্যাচে গোল করা থেকে আটকানোর কৌশল নিয়ে মুখ খুলেছেন ইংলিশ মিডফিল্ডার মরগান রজার্স।
তিনি জানান, ম্যানচেস্টার সিটির এই বিধ্বংসী ফরোয়ার্ডকে থামানোর কোনো ‘নিখুঁত উপায়’ হয়তো নেই, তবে তার কাছে বলের জোগান বা সাপ্লাই লাইন কেটে দেওয়াই ইংল্যান্ডের মূল কৌশল হবে।
Manual6 Ad Code
চলতি বিশ্বকাপে হালান্ড ইতোমধ্যেই ৭টি গোল করে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।
Manual4 Ad Code
রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সংবাদ সম্মেলনে হালান্ডকে আটকানোর পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ২৩ বছর বয়সি রজার্স বিশাল চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করে নেন।
তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আর্লিং হালান্ডকে কি কেউ কখনো থামাতে পেরেছে? আমি নিশ্চিত নই যে কেউ পেরেছে কিনা, তবে আমরা চেষ্টা করব।’
Manual7 Ad Code
হালান্ডের গোলক্ষুধা নিয়ে রজার্স বলেন, ‘ও একজন অবিশ্বাস্য খেলোয়াড়। ও যা করে, যে ধরনের পরিসংখ্যান ওর নামের পাশে রয়েছে—তাতেই বোঝা যায় ও কতটা দুর্দান্ত। আমাদের হয়তো চেষ্টা করতে হবে যাতে ওর কাছে বল পৌঁছাতে না পারে এবং ও যেন সুযোগ তৈরি করতে না পারে। কারণ গোলপোস্টের সামনে ও মারাত্মক বিপজ্জনক।’
Manual1 Ad Code
ক্লাব ফুটবলে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলা রজার্সের হালান্ডের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভিলা পার্কে ম্যানচেস্টার সিটির শেষ চারটি সফরে হালান্ডকে গোল করতে দেয়নি অ্যাস্টন ভিলা। তবে সেই রেকর্ডকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে চান না রজার্স।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, নরওয়ে দলে আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের মতো আরও অনেক মানসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছেন।
এদিকে, ইংল্যান্ড এই ম্যাচে মাঠে নামছে তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এক জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে। শেষ ষোলোর ম্যাচে ১০ জন নিয়ে খেলেও মেক্সিকোকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে থমাস টুখেলের শিষ্যরা।