জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় গত দুদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার বিভিন্ন খাল, বিল ও জলাশয়ের পানি বাড়তে শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত সারী ও বড়গাং নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
Manual8 Ad Code
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত দুদিনের অব্যাহত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নিজপাট, জৈন্তাপুর, চারিকাটা, ফতেহপুর, দরবস্ত ও চিকনাগুল ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওর, বিল ও জলাশয়ে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
Manual8 Ad Code
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত একইভাবে অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন এরই মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজে ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান ও জরুরি সেবার জন্য একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।
Manual2 Ad Code
এছাড়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়ে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায় বলেন, “সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড় ও টিলা-সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”