প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৭ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জ্বালানি, জ্বালাবে আরও

editor
প্রকাশিত জুলাই ৩০, ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ণ
জ্বালানি, জ্বালাবে আরও

Manual3 Ad Code

 

প্রজন্ম ডেস্ক:

 

ঢাকার চলমান গ্যাস সংকট গত ১০ থেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতাকে হার মানিয়েছে বলে মনে করেন পূর্ব রাজাবাজারের বাসিন্দা গৃহকর্ত্রী সাবিকুন্নাহার রীতা। গত ৭ থেকে ৮ দিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিন সন্তানের জননী রীতা বলেন, “আগে সংকট হলেও কখনও এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি। আগে কোনো-না কোনো সময় গ্যাসের চাপ বাড়ত এবং তখন রান্নার কাজ করে নিতে পারতাম। কিন্তু এখন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেও কোনো লাভই হচ্ছে না। এমনকি তিন বাচ্চাকে স্কুলে পাঠানোর আগে তাদের সকালের নাশতাটাও বানাতে পারছি না। বাইরে থেকে শুকনো খাবার কিনে আনতে হচ্ছে। অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করে কোনোভাবে ভাত-ডাল রাঁধছি। বাকি সবই কিনে আনতে হচ্ছে হোটেল থেকে।”

 

কেবল পূর্ব রাজাবাজার নয়, ঢাকার বেশিরভাগ এলাকাতেই এমন তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে কেউ কেউ নতুন করে সিলিন্ডার কিনছেন, কেউবা ইন্ডাকশন কুকার কিংবা বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন। তবে সেখানেও বেড়েছে বিড়ম্বনা। অধিকাংশ সময়ই থাকছে না বিদ্যুৎ। আবার হুট করে এলপিজি সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সেই চেইনেও টান পড়েছে। উচ্চ মধ্যবিত্তরা হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনতে পারলেও নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলো হিমশিম খাচ্ছে।

 

Manual2 Ad Code

গ্যাস সংকটে সবচেয়ে বড় ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢাকার মোহাম্মদপুর, আদাবর, ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান, মিরপুর, বাড্ডা, রামপুরা, খিলগাঁও বাসাবো, মগবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার নাগরিকরা। দিনের বেশিরভাগ সময় এসব এলাকার চুলায় গ্যাস থাকছে না। শুধু ঢাকা নয়, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য মহানগর-নগরেও গ্যাস সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সরকার বলছে, এলএনজি টার্মিনাল থেকে সৃষ্ট গ্যাস সংকট সমাধানে সময় লাগবে আরও কয়েক দিন। তবে দ্রুত সংকট সমাধানের জন্য এরই মধ্যে কিছু বিকল্প পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি ফোন করে এ ব্যাপারে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া জ্বালানি সক্ষমতা বাড়াতেও বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে বিকল্প ও নতুন উৎসের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত টেকসই জ্বালানি নীতিমালা প্রণয়ন করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

 

আগামী সপ্তাহে আংশিক চালু হতে পারে টার্মিনাল

মহেশখালীর বিকল টার্মিনালটির পরিচালনাকারী এক্সিলারেট এনার্জির আঞ্চলিক পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার সকালে বৈঠক করেছে জ্বালানি বিভাগ। মহেশখালীর ওই এফএসআরইউ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “এক্সিলারেট এনার্জির পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হলে, আগামী সপ্তাহের শুরুতে টার্মিনালটি থেকে দৈনিক ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে। পরের সপ্তাহের শেষদিকে পুরো এফএসআরইউ সচল করতে পারবেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।”

তিতাস গ্যাস কোম্পানির হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় তিতাস গ্যাস কোম্পানির আওতাধীন আবাসিক গ্রাহক বা চুলার সংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ। এর মধ্যে প্রিপেইড মিটারের আওতায় রয়েছে মাত্র ৪ লাখ ২০ হাজার গ্রাহক। বাকি প্রায় ২৪ লাখ গ্রাহক নির্ধারিত মাসিক বিলে রান্নার চুলা ব্যবহার করেন। তবে অনেক দিন ধরেই নতুন আবাসিক সংযোগ দেওয়া স্থগিত রয়েছে।

Manual4 Ad Code

 

অব্যাহত থাকবে গ্যাস সংকট

দেশে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ২৬৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে ৯০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। সম্প্রতি মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আরএলএনজি সরবরাহ কমেছে প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট। মোট গ্যাস সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ২২০ কোটি ঘনফুটে। ফলে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিতাস গ্যাসের আওতাধীন সব শ্রেণির গ্রাহককে তীব্র গ্যাসের স্বল্পচাপের ভোগান্তি পোহাতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Manual3 Ad Code

পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দেশে গ্যাসের ১১ শতাংশ ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালি রান্নার কাজে। সবচেয়ে বেশি ৪১ শতাংশ ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ খাতে। শিল্পে যায় ৩৬ শতাংশ। সারে ৬ শতাংশ, সিএনজি খাতে ৫ শতাংশ ও চা খাতে ১ শতাংশ গ্যাস ব্যবহৃত হয়। চাহিদা বুঝে বিদ্যুৎ থেকে কমিয়ে সারে, সার থেকে কমিয়ে বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ বাড়ানো হয়। আবার সিএনজি স্টেশন বন্ধ করে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই টানাটানি করে চলছে দেশের গ্যাস খাত। পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, প্রতিশ্রুত সংযোগগুলো দেওয়া হলে আরও ৩৫ কোটি ঘনফুটের মতো গ্যাসের প্রয়োজন হবে। এটি আপাতত সংস্থানের কোনো উপায় নেই।

 

মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে

দেশের চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল দুপুরে প্রধানমন্ত্রী মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে সহযোগিতা চান। এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশকে অবহিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আলোচনায় চলমান গ্যাস সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে জরুরি ভিত্তিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের জন্য মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাসের মাধ্যমে সহযোগিতার অনুরোধ জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। গত সোমবার তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠান, যা মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে সফররত প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন আনোয়ার ইব্রাহিমের হাতে তুলে দেন।

 

যেসব উদ্যোগ বিবেচনা করা হচ্ছে

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সরকার শুধু গ্যাস নয়, পুরো জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে একাধিক বিকল্প নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ভোলার গ‍্যাস ঢাকায় আনার একাধিক প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে। মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট‍্যাংকের (এলএনজি পরিবহনের বিশেষ কন্টেইনার) মাধ্যমে এলএনজি আনার আলোচনা চলছে। বিদ্যমান দুটির পাশাপাশি আরও দুটি ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। স্থলভাগেও গ্যাস অনুসন্ধানের কার্যক্রম চলমান আছে। তবে জ্বালানি অনুসন্ধান, কূপ খনন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। নতুন করে একটি ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের দরপত্র আহ্বানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি আমদানির উৎস ও সরবরাহ অবকাঠামো বহুমুখী করার ব্যাপারেও কাজ হচ্ছে। তবে সরকারের এসব পদক্ষেপ সবই সময়সাপেক্ষ। তাই জ্বালানি খাতের বিড়ম্বনা সহসাই কাটছে না।

 

বিকল্প ও নতুন উৎসে জোর

গত সোমবার জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গ্যাস সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য সরকার বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, “জ্বালানি সেক্টরে সরকারের যেসব অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলো সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কি না, সেটা মন্ত্রণালয়কে তদারকি করতে হবে। সকলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্ততে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। তবেই দেশের সাধারণ মানুষ সুফল পাবে।”

 

চলছে শিল্পেও সংকট

Manual4 Ad Code

এদিকে গ্যাসের চলমান সংকট দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে দেশের শিল্প খাতকেও। দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও চাপ অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে ডিজেল, এলপিজি ব্যবহার করে কারখানা চালু রাখা হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় দাঁড়াচ্ছে কয়েকগুণ। উদ্যোক্তারা বলছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন কমানোর পাশাপাশি অনেক কারখানা বন্ধ করে দিতে হতে পারে। অনেক ছোট কারখানাই ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বিকল্প উপায়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে না পারায়। গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে বহু আবেদন।

 

দেওয়া হবে না নতুন সংযোগ

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মঙ্গলবার বলেন, “দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাস সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, লুটপাট এবং জ্বালানি খাতে ভুল নীতির কারণে সৃষ্ট সংকটের প্রভাব এখনও দেশের শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে পড়ছে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকেই পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।”

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসিসহ ছয়টি গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কাছে শিল্প সংযোগের ১ হাজার ৮৫৭টির বেশি আবেদন জমা আছে। এর মধ্যে ৫৫০টির মতো প্রতিষ্ঠান সব প্রক্রিয়া শেষ করে সংযোগের (প্রতিশ্রুত সংযোগ) অপেক্ষায় রয়েছে। গ্যাস সংযোগের জন্য টাকা জমা দিলেও গ্যাস পাচ্ছেন না তারা।

 

কঠিন হয়ে পড়বে রপ্তানি

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, “গ্যাস সংকট চরমে পৌঁছেছে। সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস এনে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়ার যে বিকল্প ব্যবস্থা ছিল, সেটিও এখন অচল। ফলে ডায়িং, ফিনিশিং ও আয়রনের কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সময়মতো রপ্তানি আদেশ সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং ক্রেতারা ক্রয়াদেশ স্থগিত, বাতিল বা মূল্য কমানোর মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।”

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, তীব্র গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন কারণে বর্তমানে দেশের ১২১টি স্পিনিং মিল উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়া সিএনজি স্টেশনগুলোতেও দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। গ্যাসের স্বল্পতা ও প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় রাজনীতিসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অধিকাংশ সময় সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে পরিবহন সেক্টরে বিশেষ করে সিএনজিচালকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code