প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৩রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

ফুটবল মাঠে কিল-ঘুষি-লাথি, ২৩ লাল কার্ড দেখালেন রেফারি

editor
প্রকাশিত মার্চ ১০, ২০২৬, ০৮:৪১ পূর্বাহ্ণ
ফুটবল মাঠে কিল-ঘুষি-লাথি, ২৩ লাল কার্ড দেখালেন রেফারি

Manual1 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক:
ফুটবল ছেড়ে বক্সিং খেলায় মেতে উঠলেন দুই দলের ফুটবলাররা। কিল-ঘুষি-লাথিতে রণক্ষেত্র হয়ে যায় ফুটবল মাঠ। এমন কাণ্ডের পর ২৩ লাল কার্ড দেখান রেফারি। ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ক্রুজেইরো ও অ্যাতলেতিকো মিনেইরোর মধ্যকার ম্যাচে ঠিক এমনটাই হয়েছে।

Manual2 Ad Code

ক্রুজেইরো ও অ্যাতলেতিকো মিনেইরো—দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের মাঝপথে জুভেন্টাসের সাবেক স্ট্রাইকার কাইও হোর্হের গোলে লিড নেয় ক্রুজেইরো। সেই গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে আতলেতিকো মিনেইরো। খেলার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা চেষ্টা চালিয়ে যায়। ঘড়িতে কাটা যোগ হওয়া সময়ের ৬ষ্ঠ মিনিটে যেতেই শুরু হয় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

ক্রুজেইরো উইঙ্গার ক্রিশ্চিয়ানের একটি ট্যাকল হজম করতে পারেননি অ্যাতলেতিকো গোলরক্ষক এভারসন। মেজাজ হারিয়ে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়লেন ক্রিশ্চিয়ানের ওপর। হাঁটু দিয়ে চেপে ধরলেন প্রতিপক্ষের বুক। মুহূর্তের মধ্যে শান্ত গ্যালারি হয়ে উঠে অশান্ত।

কিল, চড়, ঘুষি আর ফ্লাইং কিকের মহড়া চলল টানা ১০ মিনিট

Manual8 Ad Code

সতীর্থকে বাঁচাতে ক্রুজেইরোর ফুটবলাররা দৌড়ে আসেন। অন্যদিকে ডাগআউট ছেড়ে মাঠে ঢুকেন অ্যাতলেতিকোর ফুটবলাররা। এরপর ফুটবল মাঠ পরিণত হয় রণক্ষত্রে। দুই দলের ফুটবলাররা কিল, চড়, ঘুষি আর ফ্লাইং কিকে মেতে উঠেন। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, শেষ পর্যন্ত মাঠে ‘মিলিটারি পুলিশ’ তলব করতে হয়। পুলিশি পাহারায় ফুটবলারদের আলাদা করা হলেও উত্তাপ কমেনি একচুলও।

ম্যাচের রেফারি মাতিউস কান্দানসান কোনোমতে পুলিশি নিরাপত্তায় মাঠ ছাড়েন। তখন কোনো কার্ড না দেখালেও পরে তার ম্যাচ রিপোর্টে জানান, এই ঘটনায় মোট ২৩ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। যার মধ্যে ১১ জন অ্যাতলেতিকোর এবং ১২ জন ক্রুজেইরোর ফুটবলার ও কর্মকর্তা।

এই বহিষ্কৃতদের তালিকায় সবচেয়ে বড় নাম আতলেতিকো অধিনায়ক হাল্ক। ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি স্ট্রাইকার তার অতিমানবীয় পেশিশক্তির পুরোটা যেন ফুটবল নয়, প্রতিপক্ষকে ঘুষি মারতেই খরচ করলেন। ম্যাচ শেষে অবশ্য নিজের ভুল স্বীকার করলেও রেফারির দিকেই আঙুল তুলেছেন হাল্ক।

Manual5 Ad Code

তিনি বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই রেফারিকে বলছিলাম যে ম্যাচটা আপনার হাতে নেই। তার ব্যক্তিত্বের অভাব ছিল। যদি শুরুতেই দু-একজনকে বের করে দিতেন, তবে পরিস্থিতি এমন হতো না। সতীর্থকে আক্রান্ত হতে দেখে রক্ত গরম হয়ে গিয়েছিল, নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারিনি। আমি দুঃখিত।’

Manual7 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code