প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

যে মন্ত্রে হাসান মাহমুদের বাজিমাত

editor
প্রকাশিত আগস্ট ১৩, ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ণ
যে মন্ত্রে হাসান মাহমুদের বাজিমাত

Manual2 Ad Code

 

ক্রীড়া প্রতিবেদক:

Manual4 Ad Code

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। যেখানে সিংহভাগ অবদান হাসান মাহমুদের। ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ১৭ ওভারে ৫৫ রান খরচায় নিয়েছেন ৬ উইকেট।

তবে হাসানের এই সাফল্যের পেছনে কোনো চমকপ্রদ পরিকল্পনা ছিল না। বরং একই জায়গায় ধারাবাহিকভাবে বল করে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের ভুলের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। আর সেই পরিকল্পনাতেই বাজিমাত করেছেন এই পেসার। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন হাসান। তার ছয় শিকারের বেশিরভাগই এসেছে অফস্টাম্পের আশপাশে বল রেখে ব্যাটারদের চাপে ফেলার মাধ্যমে।

Manual6 Ad Code

 

জেক ওয়েদারাল্ড অফস্টাম্পের বাইরে কিছুটা জায়গা দেওয়া বলে এজ হয়ে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দেন। এরপর লেন্থের বলে ট্রাভিস হেডের ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল স্টাম্পে আঘাত করে। প্যাট কামিন্সও অফস্টাম্পের বাইরে লেন্থের বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। আর মিচেল স্টার্ক ফুল লেন্থের বল খেলতে গিয়ে কিপারের হাতে ক্যাচ দেন।

Manual1 Ad Code

অস্ট্রেলিয়া আট উইকেট হারানোর পরও পরিকল্পনা থেকে সরে যাননি হাসান। লেন্থে সামান্য পরিবর্তন এনে ছোট করে বল করেন তিনি। তাতেই স্টিভ স্মিথ পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দেন। এরপর শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নও একই ধরনের শট খেলতে গিয়ে মিডউইকেটে ক্যাচ তুলে দেন।

 

অর্থাৎ ছয় উইকেটের জন্য ছয় রকম পরিকল্পনা নয়, লাইন, লেন্থ আর চাপ তৈরির একই মন্ত্রে সফল হয়েছেন হাসান। ইনিংস বিরতিতে ফক্স ক্রিকেটের অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে হাসান বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে পেরে আমি খুবই রোমাঞ্চিত ছিলাম, কারণ তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। এই কন্ডিশনে খেলার সুযোগ পাওয়াটাও দারুণ ব্যাপার। আমি শুধু লাইন ও লেন্থ ঠিক রেখে বল করার চেষ্টা করেছি। প্রক্রিয়াটা ধরে রেখেছি এবং অধিনায়ক যা বলেছে, সেটা অনুসরণ করেছি।’

হাসানের ৬/৫৫ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের কোনো বোলারের সেরা বোলিং ফিগারও। এর আগে ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে মাশরাফি বিন মুর্তজা ৭৪ রানে তিন উইকেট নিয়েছিলেন। একই সঙ্গে টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে এটি তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার।

হাসানের সঙ্গে বাংলাদেশের পেস আক্রমণে দারুণ অবদান রেখেছেন তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন। দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। ফলে অস্ট্রেলিয়ার ১০টি উইকেটই নিয়েছেন বাংলাদেশের তিন পেসার। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের পেসাররা প্রতিপক্ষের এক ইনিংসে ১০ উইকেটই নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে এমন নজির দেখা গিয়েছিল। সেবারও পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন হাসান।

Manual2 Ad Code

 

বাংলাদেশের বোলিংয়ের ধারাবাহিকতায় মুগ্ধ হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারও। ফক্স ক্রিকেটের বিশ্লেষণে তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো দেখলাম, কোনো প্রতিপক্ষ দল অস্ট্রেলিয়ায় এসে শুরু থেকেই নিজেদের জায়গায় বল ফেলছে।’

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০  

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code