শেষ টি-টোয়েন্টিতে উইনিং কম্বিশন ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ: সালাউদ্দিন
শেষ টি-টোয়েন্টিতে উইনিং কম্বিশন ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ: সালাউদ্দিন
editor
প্রকাশিত জুলাই ১৬, ২০২৫, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
স্পোর্টস ডেস্ক:
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে উইনিং কম্বিনেশান ভাঙতে চায় না দল। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ (বুধবার, ১৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।
‘শেষ ভালো যার, সব ভালো তার’— হতাশার শ্রীলঙ্কা সফরে এ প্রবাদটাই হতে পারে প্রেরণার উৎস। লম্বা সফরের শেষটা ভালোয় ভালোয় শেষ করতে পারলে প্রাপ্তিটা কিছুটা হলেও বাড়বে।
ওয়ানডে সিরিজেও এমনই একটা সমীকরণ ছিল, সেই সঙ্গে ছিল সিরিজ জয়ের সুযোগ। বাজে হারে সেই সম্ভাবনা নষ্ট করেছে মিরাজের দল। টি-টোয়েন্টি সিরিজটা আর হাতছাড়া করতে চান না লিটন দাসরা। তাই তো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় যেতে চায় না দল।
Manual4 Ad Code
বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ‘কোনো দলই চাইবে না তাদের উইনিং কম্বিনেশনটা ভাঙার জন্য। শেষ ম্যাচে আমরা কী করেছি সেটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, কালকে যেন আমরা তাদেরকে হারাতে পারি, সেই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে আমাদের যেতে হবে এবং সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার জন্য আমাদের যে অস্ত্রগুলো নেয়া দরকার সেগুলো নিয়ে যাবো।’
Manual2 Ad Code
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস যোগাবে অধিনায়ক লিটন দাসের ফর্মে ফেরা। সঙ্গে শামীম পাটোয়ারীর দারুণ এক ইনিংস ভাঙাচোরা মিডল অর্ডারে কিছুটা প্রলেপ দিয়েছে। তবে দলে মেহেদি মিরাজের অন্তর্ভুক্তি প্রশ্নবিদ্ধই।
Manual1 Ad Code
মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ‘অনেক কিছু লাক্সারি করার মতো আমাদের আসলে সুযোগ থাকে না, সেটা বুঝতে হবে। অনেক সময় আমাদের ব্যাটার বা বোলার শর্টেজ তৈরি হয়। তাই সবকিছু ব্যলেন্স করে প্রতিপক্ষ বিবেচনায় আমাদের দলটা সাজাতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘কাউকে দোষ দিয়ে আসলে লাভ নেই। আমাদের অপশন কম, সিলেকটরদেরও হাতে অপশন কম। আমরা চেষ্টা করি সেরা একাদশ তৈরি করার।’
দু’দলের মুখোমুখি সবশেষ ৫ লড়াইয়ের তিনটিতে জিতেছে টাইগাররা। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার মাটিতে স্বাগতিকদের সর্বনিম্ন টি-টোয়েন্টি রানের স্কোরবোর্ডে আটকে রাখা বাংলাদেশকে দিতে পারে বাড়তি আত্মবিশ্বাস।
তবে এতসব সমীকরণের পরেও একটা উদ্বেগের জায়গা থেকেই যায়। আর সেটা হলো অধারাবাহিক বাংলাদেশ অল্পতেই আত্মতুষ্টিতে না ভুগে শেষটা সুন্দর করতে পারবেত?