স্পোর্টস ডেস্ক:
ম্যাচের শেষ বাঁশি বেজে ওঠার পর নিজেকে আর আটকে রাখতে পারলেন না নেইমার। মাঠে বসেই কাঁদতে শুরু করলেন তিনি। কয়েকজন এসে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হারের তেঁতো স্বাদ পাওয়া পর নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।
Manual5 Ad Code
সোমবার (১৮ আগস্ট) ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ৬-০ গোলে হেরেছে নেইমারের দল সান্তোস। ব্রাজিলিয়ান লিগ সিরি আ’র এই ম্যাচে কোনোরকম প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি নেইমারের দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য মাত্র এক গোল খেয়েছিল সান্তোস।
Manual6 Ad Code
তবে দ্বিতীয়ার্ধে সান্তোসের ওপর দিয়ে ঝড় বইয়ে দিয়েছে ভাস্কো দা গামা। আরও পাঁচবার বল সান্তোসের জালে জড়ায় তারা। এই ম্যাচের আগে নেইমারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হার ছিল ৪-০ গোলের ব্যবধানে। ২০১১ সালে সান্তোসে খেলার সময় বার্সেলোনার বিপক্ষে (ক্লাব বিশ্বকাপের ম্যাচ) এবং ২০১৭ সালে বার্সেলোনায় খেলার সময় পিএসজির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে এমন হারের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। যদিও পিএসজিকে পরের লেগে হারিয়ে নেইমারের জোড়া গোলে পিএসজিকে হারায় বার্সা।
Manual5 Ad Code
৬ গোলের বড় জয়ে অবনমন অঞ্চল থেকেও বেরিয়ে এসেছে ভাস্কো দা গামা। ১৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বর অবস্থানে আছে তারা। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলে ২১ পয়েন্ট নিয়ে সান্তোস আছে ১৫ নম্বরে।
এমন হতাশাজনক ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, ‘আমি লজ্জিত। আমাদের পারফরম্যান্সে আমি সম্পূর্ণ হতাশ। সমর্থকদের প্রতিবাদের পুরোপুরি অধিকার আছে, অবশ্যই সহিংসতা পরিহার করে। তারা যদি গালি দেয় বা অপমান করে, সেটারও অধিকার তাদের আছে।’
Manual4 Ad Code
তিনি আরও বলেন, ‘এটা চরম লজ্জার অনুভূতি। জীবনে কখনো এমনটা হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত এবার হলো। কান্না এসেছিল রাগ থেকে, যা ঘটেছে সবকিছুর জন্য। দুর্ভাগ্যবশত আমি সবদিক দিয়ে সাহায্য করতে পারি না। যা-ই হোক, পুরো ব্যাপারটাই ছিল একেবারে বাজে, এটাই বাস্তবতা।’
এমন বড় হারের কিছুক্ষণ পরই সান্তোসের প্রধান কোচ ক্লেবার হাভিয়েরকে বরখাস্ত করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য শুভকামনা জানিয়ে হাভিয়েরকে ছাঁটাইয়ের কথা নিশ্চিত করেছে সান্তোস।