তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে আপিলের ৫ম দিনের শুনানি চলছে
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে আপিলের ৫ম দিনের শুনানি চলছে
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ০৬:০১ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের করা আবেদনের ওপর আপিল বিভাগে পঞ্চম দিনের মতো শুনানি চলছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৭ সদস্যের বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) একই বেঞ্চে চতুর্থ দিনের শুনানি শেষে কার্যক্রম মুলতবি করা হয়। সেদিন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির।
Manual4 Ad Code
এরও আগে বুধবার (২২ অক্টোবর) তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল ও তা ১৪তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে কার্যকর করার দাবিতে আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে শুনানি শেষ করেন বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী।
Manual3 Ad Code
ওইদিন শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ প্রশ্ন তোলেন—রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলে সেটি সংসদের ক্ষমতাকে খর্ব করবে কিনা। পাশাপাশি, একই সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চালু হলে সেটি অন্তর্বর্তী সরকারের সংজ্ঞায় পড়বে কি না—এ বিষয়ে রায়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলেও মত দেন রিটকারীদের আইনজীবীরা।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের শুনানি শেষে গত ২৭ আগস্ট আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।
Manual8 Ad Code
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের বেঞ্চে শুরু হয় চূড়ান্ত শুনানি। সেদিন সকালে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। পরে বিএনপি, জামায়াত এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
Manual6 Ad Code
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংযোজন করা হয় ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে ১৯৯৮ সালে এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট ওই রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা দেয়।