প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৭শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিয়ানীবাজারে দখলদারদের কব্জায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্টানের জমি

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
বিয়ানীবাজারে দখলদারদের কব্জায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্টানের জমি

Manual6 Ad Code

ছবি: চান্দলা-আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আদালতের রায়ের পর দেয়ালের দখল উচ্ছেদ করে স্থানীয় প্রশাসন/

Manual2 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

মিলাদ জয়নুল:

বিয়ানীবাজার পৌরশহরের খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যা নিকেতনের জমি বেদখলের তথ্য অনেক পুরনো। বিষয়টি এখন কিছুটা মিটমাট হয়েছে। বিরোধীয় জমিতে মালিকানা বুঝে পেয়ে প্রাথমিক শাখার ক্যাম্পাস স্থাপন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের জমির পরিমানও কমেছে। এরকমভাবে উপজেলার অন্তত: অধর্শত সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্টানের জমিজমা বেহাত হয়েছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেরই জমি বেদখল হওয়ার ঘটনায় মামলা-পাল্টা মামলা চলছে বলে জানা গেছে।

তবে এসব মামলা পরিচালনা কিংবা বেহাত হওয়া জমি উদ্ধারে কোন আগ্রহ নেই স্থানীয় প্রশাসনের। এ বিষয়ে উদাসীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অথবা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

দীর্ঘদিন ধরে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ বা মামলা চলমান থাকলেও খুব একটা আমলে নেয়না উপজেলা প্রশাসন। মামলা চলমান থাকলেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলে এসব জমি ‘অবৈধভাবে’ ভোগ-দখল করছে বলেও সূত্রে জানা যায়।

বিয়ানীবাজারের তিলপাড়া ইউনিয়নের চান্দলা-আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাসউরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুবাগের চরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিজমা নিয়ে মামলা আদালতে চলমান। বিগত দিনে চারখাই ও জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের জমিজমা নিয়েও নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। জলঢুপে বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়।

নিজ প্রতিষ্ঠানের জমি বেদখল হওয়া প্রসঙ্গে চান্দলা-আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কবির আহমদ বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে বেদখল জমি উদ্ধার হলেও মামলা পিছু ছাড়ছেনা।’

Manual4 Ad Code

 

জানা যায়, একসময় অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনেক বেশি জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু দিন যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জমি নানাভাবে বেহাত ও বেদখল হয়েছে। এসবের অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের যোগসূত্র রয়েছে বা তাদের অবহেলায় জমি বেহাত হয়েছে। আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদনের সময় যে পরিমাণে জমির কাগজপত্র দেখানো হয়েছে পরে সেখানে পরিদর্শন করতে গেলে সে পরিমাণে জমি পাওয়া যায়নি। কোথাও কোথাও পাঠদান অনুমোদন, পাঠদান স্বীকৃতি ও পরে এমপিওভুক্তি হওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমির একটি অংশ বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং কমিটিও বেদখর জমি উদ্ধারে অনাগ্রহী।

শিক্ষা প্রতিষ্টানের জায়গা জমি দেখভাল করার জন্য পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) নামে একটি সংস্থা আছে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। কিন্তু বিয়ানীবাজারে কোনদিন এই প্রতিষ্টানের কোন কর্মকর্তা সরজমিন পরিদর্শনে আসেননি।

Manual2 Ad Code

বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নৃপেন্দ্র নাথ দাস বলেন, ‘জমি উদ্ধারের বিষয়ে উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। উপরের নির্দেশ না পেলেও আমরা স্থানীয়ভাবে বেহাত জমি উদ্ধার নিয়ে তৎপরতা চালাই।’

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code