স্টাফ রিপোর্টার:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার পর ওই কক্ষেই নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ উঠে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন।
Manual4 Ad Code
এমনকি কিছু জিজ্ঞাসা করলে তিনি কলম দিয়ে লিখে উত্তর দিতে পারছেন বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘ফজলুর রহমানকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা আছে। তাকে ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। চোখ মেলে তাকাচ্ছেন। কিছু জানতে চাইলে কলম দিয়ে লিখতে পারছেন। রাতেই পুলিশের কর্মকর্তারা দুই পাতার লিখিত বক্তব্য নিয়ে গেছেন। ফজলুরের পরিবার আসছে। তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।’
Manual6 Ad Code
এদিকে আজ সকাল আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত শিক্ষক আসমা সাদিয়ার স্বজনেরা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গের সামনে আসেন। তারা ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় আছেন।
Manual2 Ad Code
আজ সকাল নয়টার দিকে আসমার মামা সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুরে জানাজা শেষে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে তার দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি জানান, তার বোনের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। আসমা তার একমাত্র ভাগনি। দুই ভাগনের মধ্যে একজন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। আরেকজন উচ্চমাধ্যমিকে পড়েন। আসমার বাবা শ ম আশিকুল হক এলজিইডিতে চাকরি করতেন।
Manual2 Ad Code
এর আগে, বুধবার বিকেল চারটার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।