৩০ দিন অতিবাহিত হলেও বসেনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ: বিরোধীদলীয় নেতা
৩০ দিন অতিবাহিত হলেও বসেনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ: বিরোধীদলীয় নেতা
editor
প্রকাশিত মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি জানান, ১০ নম্বর অর্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিবেশন ডাকার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা এসব কথা বলেন।
Manual8 Ad Code
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি সংবিধান সংস্কারের আইনি বাধ্যবাধকতা ও বর্তমান স্থবিরতা তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১০ নম্বর অর্ডারে পরিষ্কার বলা হয়েছে—সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যে পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়, অনুরূপ পদ্ধতিতে পরিষদের প্রথম অধিবেশনও আহ্বান করতে হবে। আজ সেই ৩০তম দিন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
Manual7 Ad Code
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করেন। আমরা ধরে নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই হয়ত রাষ্ট্রপতি এটি আহ্বান করবেন, কিন্তু সময় পার হয়ে যাচ্ছে।
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী, নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা একইসঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আমরা এই সুযোগটি কাজে লাগাতে চাই। বিধি অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের পর আমরা বিরোধীদলীয় ৭৭ জন সদস্য নির্ধারিত তফসিলে স্বাক্ষরও করেছি।
Manual4 Ad Code
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এরপরই পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আগে তো শুরু হতে হবে, তারপর সমাপ্তির প্রশ্ন। আমরা পৃথক ব্যালটে সংস্কারের জন্য ভোট নিয়েছি। এখন এই পরিষদ গঠন ও অধিবেশন আহ্বান করা আইনি বাধ্যবাধকতা।