প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

বড়লেখায় ডাব চুরির বিচার নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বড়লেখায় ডাব চুরির বিচার নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

Manual4 Ad Code

বড়লেখা সংবাদদাতা:
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ বাজারে ডাব চুরির সামাজিক বিচার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে দক্ষিণভাগ বাজার বণিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে দক্ষিণভাগ বাজার বণিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সমিতির নেতৃবৃন্দ ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

Manual3 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন জানান, গত ২২ মার্চ দক্ষিণভাগ বণিক সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের বরাবরে সাবেক এমপি মরহুম ইমান উদ্দিন আহমেদ সাহেবের মার্কেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. তাহির আলী একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। এতে উল্লেখ করা হয়, গজভাগ গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলী হোসেন মান্না এবং দোহালিয়া গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে ফৈয়াজ আহমদ (ফইয়া) এমপি সাহেবের মালিকানাধীন ডাব গাছ থেকে ২২টি ডাব চুরি করে নিয়ে গেছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৩ মার্চ রাত ৯টার দিকে দক্ষিণভাগ বণিক সমিতির কার্যালয়ে সমিতির সভাপতি, সম্পাদক, অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদ্বয় ও অভিযোগকারীকে নিয়ে একটি বিচার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিচারে অভিযুক্তরা স্বীকার করেন যে, তারা মরহুম ইমান উদ্দিন এমপি সাহেবের মালিকানাধীন ভূমির ডাব গাছ থেকে ২২ (বাইশ)টি ডাব চুরি করেছেন। এছাড়াও বিগত সময়ে বাজারে আরও ডাব চুরির অভিযোগ থাকলেও সেগুলো হাতেনাতে ধরা যায়নি।

Manual3 Ad Code

পরবর্তীতে অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে এ ধরনের চুরির মতো ঘৃণ্য কাজ করবেন না মর্মে মৌখিকভাবে জানান। উপস্থিত বিচারকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনতার উত্তেজনা থেকে রক্ষা করার জন্য আলী হোসেন মান্নার পিতা আবুল হোসেনকে তার ছেলের বিচার করার জন্য বলা হয়। তখন তিনি তার আত্মীয় বিশিষ্ট সমাজসেবক হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীনকে বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ জানান।

আবুল হোসেনের বারবার অনুরোধের প্রেক্ষিতে হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীন ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ না করার জন্য শাসন করতে গেলে আকস্মিকভাবে আলী হোসেন মান্না উপস্থিত মুরব্বিদের সামনে বেয়াদবি ও অশালীন আচরণ করতে থাকেন। এ সময় তার পিতার অনুরোধে বাধ্য হয়ে তাকে শারীরিকভাবে শাসন করা হয়। যা সম্পূর্ণভাবে তার পিতা আবুল হোসেনের অনুরোধে করা হয়েছে। ব্যক্তিগত কারণে তাকে আঘাত করা হয়নি। মূলত বণিক সমিতির এই বিচারে হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীনকে আলী হোসেন মান্নাই নিয়ে আসেন।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে আলী হোসেন মান্নার বেয়াদবি ও পূর্বের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে উপস্থিত জনতার মধ্য থেকে কে বা কারা হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীন কর্তৃক শাসনের ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় বাজার বণিক সমিতি ও হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করা হয়।

Manual1 Ad Code

পরবর্তীতে আলী হোসেন মান্না তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে তার পিতা আবুল হোসেন, বণিক সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ পরিচালনা কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ এবং হাফিজ খলিলুর রহমান শাহীনকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

Manual3 Ad Code

ওয়েবসাইটের জন্য কিছু প্রচারযোগ্য পণ্য বা সেবার ধারণা দেওয়া হলো:
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হক, সহ-সভাপতি ইসলাম উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক সনজিত দাস, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ফারুক আহমদ, সদস্য আব্দুস সহিদ পটল, আজিজ আহমদ, শাহীন আহমদ এবং অভিযোগকারী মো. তাহির আলী প্রমুখ।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code