নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেটের গোলাপগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করার পর লাপাত্তা রয়েছেন জাহিদুল ইসলাম (৩৫)। ইতোমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম তাকে গ্রেফতার করার জন্য অভিযানে নেমেছে।
Manual5 Ad Code
এদিকে ময়নাতদন্তের জন্য গৃহবধূ ফাহমিদা আক্তার মোহনা (২৭) এর মরদেহ সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন গোলাপগঞ্জ থানার ওসি আরিফুল ইসলাম।
Manual7 Ad Code
তিনি জানান, যতটুকু জেনেছি পারিবারিক কলহেই ফাহমিদা আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে। থানায় এ ঘটনায় রবিবার দুপুর পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। মরদেহের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফাহমিদার পরিবার মামলা করবে বলে পুলিশকে জানিয়েছে।
ওসি জানান, স্বজনসহ ফাহমিদার পরিবারের দাবি তাকে তার স্বামী তাকে হত্যা করেছে। ঘটনার পর সে আত্মগোপনে রয়েছে। পুলিশ তাকে ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে ধরার পর বিস্তারিত জানা যাবে। এই দম্পতির আবির আহমদ নামের ৪ বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে।
Manual5 Ad Code
জানা যায়, শনিবার উত্তর জাঙ্গালহাটা গ্রামে সন্ধ্যায় জাহিদুলের সাথে স্ত্রী মোহনার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা লোহার শাবল দিয়ে মোহনার মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে মারা যান। এ ঘটনার পর স্বামী পালিয়ে যান।