প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার: রিমান্ডে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ দিয়েছেন অভিনেতা আলভী

editor
প্রকাশিত জুন ৩০, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার: রিমান্ডে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ দিয়েছেন অভিনেতা আলভী

Manual4 Ad Code

বিনোদন ডেক্স:
রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আলভী রিমান্ডে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ দিয়েছেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন পুলিশ।

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার আলভীকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক।

Manual7 Ad Code

আবেদনে বলেন, ‘আসামিকে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের মামলার ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা মামলার তদন্তকাজে সহায়তা করবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তদন্ত অব্যাহত। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক প্রয়োজন।’

Manual2 Ad Code

শুনানিকালে আলভীকে এজলাসে তোলা হয়। তবে তার পক্ষে জামিনের আবেদন ছিল না। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা এ মামলায় আর কার কার সম্পৃক্ততা আসছে তা লিখিত আকারে জানাতে আদালতের কাছে আবেদন করেন। বিচারক তাকে জানান, তদন্ত কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে কল করা হবে।

এরপর বিচারক আলভীর কিছু বলার আছে কি না জানতে চান। আলভী মাথা নেড়ে জানান, ‘না।’ কোনো টর্চার করা হয়েছে কি না বিচারক জানতে চাইলে আলভী বলেন, ‘না।’ পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন যাহের আলভী। তবে আদালত সেদিন জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ২১ জুন আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদনের পর ২৪ জুন শুনানি শেষে তার দুই দিনের আদেশ দেন।

এর আগে গত ৪ জুন আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসায় বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।

এদিকে ইকরার আত্মহত্যার পর ওই রাতেই মামলা করেন বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।

Manual4 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code