প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশি জার্সির আসা-যাওয়া

editor
প্রকাশিত জুলাই ২, ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশি জার্সির আসা-যাওয়া

Manual3 Ad Code

 

প্রজন্ম ডেস্ক:

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। কম উৎপাদন ব্যয়ের কারণে বহু আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড বাংলাদেশে পোশাক উৎপাদন করিয়ে নিজ নিজ দেশে নিয়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই বাণিজ্যে নতুন একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত জার্সি বিদেশে রপ্তানির পর আবার আমদানি হচ্ছে দেশে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জার্সি আমদানি সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা সমমূল্যের জার্সি বাংলাদেশে আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা সমমূল্যের জার্সির উৎপাদনস্থল ছিল বাংলাদেশ।

 

Manual4 Ad Code

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ডেনমার্ক, সুইডেন, স্পেন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, হংকং, কানাডা, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্র্যান্ড বাংলাদেশে জার্সি উৎপাদন করিয়ে নিজ দেশে নিয়ে যায়। পরে বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান এসব জার্সি পুনরায় আমদানি করে। এর মধ্যে রাজধানীর আশুলিয়া ভিত্তিক ডংলিয়ান ফ্যাশন (বিডি) লিমিটেড ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা সমমূল্যের জার্সি আমদানি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জার্মানির বহুজাতিক কোম্পানি ভুর্ত গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ভুর্ত ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং (সিঙ্গাপুর) পিইটি লিমিটেডের কাছ থেকে এসব জার্সি আমদানি করে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, এসব জার্সির উৎপাদনস্থল হচ্ছে বাংলাদেশ।

Manual2 Ad Code

একই সময়ে সুরমা গার্মেন্টস লিমিটেড ৪১ লাখ ১৫ হাজার টাকা সমমূল্যের জার্সি আমদানি করেছে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি আয়ারল্যান্ডের ব্র্যান্ড ডানেস স্টোরের কাছ থেকে জার্সিগুলো আমদানি করে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস প্রতি ইউনিট ৭ দশমিক ০৯ মার্কিন ডলার দরে পণ্যগুলোর শুল্কায়ন করে। এর ভিত্তিতে ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৪৯ টাকা শুল্ক আদায় করা হয়। তবে সুরমা গার্মেন্টস লিমিটেডের পরিচালক ফয়সাল সামাদ এ আমদানির ব্যাখ্যায় ভিন্ন দাবি করেছেন। তিনি বলেন, জার্সিগুলো তারা বিদেশে রপ্তানি করেছিলেন। কিন্তু বিদেশি ক্রেতা পণ্য গ্রহণ না করায় সেগুলো পুনরায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

২০২৫ সালের জার্সি আমদানির তথ্যেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যায়। ওই বছর ১১ কোটি ১ লাখ টাকা সমমূল্যের জার্সি আমদানি হয়। এর মধ্যে ২ কোটি ৫৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা সমমূল্যের জার্সির উৎপাদনস্থল ছিল বাংলাদেশ। ওই বছর ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ট্রেন্ট লিমিটেডের কাছ থেকে সিনহা নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা সমমূল্যের জার্সি আমদানি করে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, এসব জার্সির সবই বাংলাদেশে উৎপাদিত ছিল। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস প্রতি ইউনিট ৪ দশমিক ৩০ মার্কিন ডলার দরে শুল্কায়ন করে এবং মোট ১ কোটি ২৮ লাখ ২৬ হাজার টাকা শুল্ক আদায় করে। একই বছরে সিনহা নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বাংলাদেশে উৎপাদিত জার্সির পাশাপাশি স্পেন, চীন, চিলি, নামিবিয়া ও ভারতে উৎপাদিত ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা সমমূল্যের জার্সিও আমদানি করে।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ৫৮টি দেশে উৎপাদিত জার্সি বাংলাদেশে আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে বাংলাদেশে উৎপাদিত জার্সি। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনে উৎপাদিত জার্সি, যার আমদানি মূল্য ১ কোটি ৮৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭০ টাকা। এরপর রয়েছে গ্রেট ব্রিটেনে উৎপাদিত জার্সি, যার আমদানি মূল্য ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫০ টাকা।

Manual6 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code