নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে যুবকের লা*শ, সঙ্গে থাকা নারী আ ট ক
নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে যুবকের লা*শ, সঙ্গে থাকা নারী আ ট ক
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
নগরীর খানজাহান আলী রোডের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে সোহেল রানা ওরফে বাবু (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা ফাতেমা নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
Manual4 Ad Code
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে খুলনা সদর থানার খানজাহান আলী রোডের কপোতাক্ষ আবাসিক হোটেলের দ্বিতীয় তলার ১০ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহেল রানা নগরীর লবণচরা থানাধীন হরিণটানা অটোস্ট্যান্ড রোডের লোকমান ফকিরের ছেলে।
Manual6 Ad Code
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সোহেল রানা ও ফাতেমা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ওই হোটেলের কক্ষে ওঠেন। সেখানে বিয়ে ও সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।
Manual8 Ad Code
রাতে একপর্যায়ে ফাতেমা ওড়না পেঁচিয়ে সোহেল রানাকে শ^াসরোধে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। একই সময় ফাতেমাকে আটক করা হয়।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন রিপন বলেন, নিহত সোহেল রানার আগের এক স্ত্রী রয়েছেন। তিনি ঢাকায় থাকেন এবং তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ছিল না।
অন্যদিকে ফাতেমার সঙ্গে সোহেল রানার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। ফাতেমা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। রোববার রাতে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ফাতেমা ওড়না দিয়ে সোহেল রানার গলায় পেঁচিয়ে শ^াসরোধে হত্যা করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
ওসি আরও বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ফাতেমাকে আসামি করা হয়েছে। তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।