প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

ফুটবলাররা নাইট ক্লাবে, ম্যানেজমেন্ট কোথায় ছিল— প্রশ্ন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের

editor
প্রকাশিত অক্টোবর ৬, ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ফুটবলাররা নাইট ক্লাবে, ম্যানেজমেন্ট কোথায় ছিল— প্রশ্ন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের

Manual3 Ad Code

স্পোর্টস রিপোর্টার:
যাদের হাত ধরে ইন্দোনেশিয়ার মাটিতে ৯ গোল হজম করে দেশের ফুটবল দিগম্বর হয়েছে তারা এখনো হাসি মুখে বিমানে উঠছেন, বিদেশে যাচ্ছেন। কোনো প্রতিকার নেই। হাসি মুখের চেহারা নিয়ে আছেন। ফুটবলের ব্যথা বুঝেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তাই তিনি হাসি মুখে নেই। বসেও নেই।

Manual5 Ad Code

বাফুফেকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন আমিনুল। তিনি জানতে চান-ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯ গোল হজমে কি ফুটবলাররা রক্তাক্ত হননি। তাহলে কীভাবে তারা খেলার পরে নাইট ক্লাবে গেলেন। আমিনুল বলেন, যে প্লেয়ারটি নাইট ক্লাবে গিয়েছেন এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এরকম একটি পারফরম্যান্স করার পর এই ধরনের দুঃসাহস করল কীভাবে।

Manual3 Ad Code

গত ১ অক্টোবর রাতে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় ৯-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে খেলার পরে সেই রাতে সাদ উদ্দিন এবং সোহেল রানা নাইট ক্লাবে গিয়েছেন। সেখানে একাধিক নারী পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছবি তুলেছেন। যেসব নারীদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন তারাই সেই ছবি সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

Manual6 Ad Code

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ক্ষুব্ধ, এসব জেনে। তিনি কল্পনাও করতে পারেন না যে দলটি ৯ গোল হজম করল সেই দলের খেলোয়াড় কীভাবে নাইট ক্লাবে চলে যান। নারীদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত সময় কাটান। তাদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তিনি বলেছেন, ‘রেজাল্ট যাই হোক সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে আসতে হবে।’

আসিয়ান কাপ ফুটবলে কর্মকর্তার বহর গেছে। এত মানুষ থাকতে কীভাবে ফুটবলাররা নাইট ক্লাবে যায়। সাদ উদ্দিন সোহেল রানা ছাড়াও নাকি আরও অনেকে সেই রাতে বাইরে ছিলেন। গভীর রাত পর্যন্ত তারা হোটেলের বাইরে কী করেছেন সেটি নিয়েও কথা উঠছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘কোথায় ছিল তার ম্যানেজমেন্ট। কারা দায়িত্বে ছিল। যারা নাইট ক্লাবে গিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ডেফিনেটলি ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশান হবে।’

Manual7 Ad Code

ফুটবল দল বিদেশে খেলতে গেলে ম্যানেজারই সব দেখভাল করেন। প্রশ্ন উঠছে ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবুর দায়িত্ব পালনে অবহেলা ছিল কি না। হোটেল থেকে বেরিয়ে যান খেলোয়াড়রা ম্যানেজার কোথায় ছিলেন, সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অনেক দিন ধরে জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আমের খান। তার সময়ে এধরনের কোনো অভিযোগ ওঠেনি।

কিন্তু আসিয়ান কাপের অনুশীলন ক্যাম্প শুরু হওয়ার পরই এবার আচমকাই ম্যানেজার পদে পরিবর্তন আনে বাফুফে। আমের খানের বদলে আমিরুল বাবু ম্যানেজার হন। আমের খান বাফুফের কমিটিতে নির্বাচিত হননি। আর যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের প্রশ্ন নির্বাহী কমিটির বাইরে কেন ম্যানেজার হবে।
একাধিক প্রার্থী ম্যানেজার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। তাদের আগ্রহ উপেক্ষা করে নানা চাপের মুখে ম্যানেজার পদে পরিবর্তন এনে আমিরুল ইসলাম বাবুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আমের খানকে সরিয়ে দিয়ে সেই আসনে বসলেন বাবু। দায়িত্ব পালনে তিনি কতটা সজাগ ছিলেন সেটিও বাফুফেতে কথা হচ্ছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রশ্ন তুলেছেন কারা দায়িত্ব পালন করেছেন। ম্যানেজমেন্টে কারা ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, সাদ এবং সোহেল রানা যদি ক্রীড়া ভাতার মধ্যে থাকেন সেখান থেকেও বাদ দেওয়া হবে।’

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৭৮৯১০১১
১১৩৪১৫১৬১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৯৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code