মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হলে বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: হুমায়ুন কবির
মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হলে বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: হুমায়ুন কবির
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Manual8 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হলে বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ বিষয়ক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
Manual2 Ad Code
এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সৌদি আরবের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক গড়তে চায়। বাংলাদেশ চায় সৌদি আরব বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুক। দেশটির জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বাংলাদেশ তৈরি করেছে।
Manual4 Ad Code
মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহের কথা জানিয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমন্ত্রণ বা জবাব এসেছে কি না, সে প্রশ্নের উত্তর আগেই দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট পবিত্র মক্কা ও মদিনার মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস নেই।
সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান হুমায়ুন কবির।
মেরিটাইম সিকিউরিটির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সৌদি আরব একটি শক্তিশালী অংশীদার জানিয়ে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সৌদি আরব সম্পর্ক শুধু শ্রমিক নির্ভর না রেখে জ্বালানীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ইস্যুতে নিয়ে যাওয়া হবে। কৌশলগত এই সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিতে সৌদি আরব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি ভ্রমনের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরব বাংলাদেশে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করছে।
Manual2 Ad Code
স্টার রিফাইনারি-২ প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার। দুই দেশের সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে নিতে উচ্চ পর্যায়ের সফর ও যোগাযোগও বাড়ছে। সৌদি আরবের মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সফর করছেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও সৌদি আরব সফর করছেন।
Manual6 Ad Code
তিনি বলেন, শুধু সৌদি আরবের সঙ্গে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে বিনিয়োগ অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে। শ্রমবাজারকেন্দ্রিক সম্পর্কের পাশাপাশি প্রযুক্তি ও দক্ষতাভিত্তিক খাতেও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নীতির ভিত্তিতে বিনিয়োগ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়া প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, এ সফরেও বিনিয়োগ অংশীদারত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আওতায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে।
তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর জ্বালানি সংকট দেখা দিলে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জ্বালানিবিষয়ক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানিসংকট মোকাবেলা এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।
জাপান সরকারের আগ্রহ এবং বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়েও সফরে আলোচনা হবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।